ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সিইসি ও বাহিনী প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এন নাসির উদ্দিন তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভোটের আগে এবং পরে দেশের ভোটারদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বৈঠকে অংশ নিয়েছেন—সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।
৩ বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে সিইসির বৈঠক
বৈঠকটি দুপুর ১২টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে শুরু হয়। আলোচিত বিষয়গুলো মূলত ছিল—

-
ভোটের আগে এবং পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা
-
নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা
-
নির্বাচনী কেন্দ্রে বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা
এরপর দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন ভবনে উচ্চ পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক। সিইসি নাসির উদ্দিন সভাপতিত্ব করবেন, যেখানে চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন।
ভোটের নিরাপত্তা ও বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন এবং তিন বাহিনী প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
-
ভোটের আগে-পরে ৫ দিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
-
ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মাঠে থাকবে।
-
-
নির্বাচন কেন্দ্র ও আশেপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ
-
প্রতিটি কেন্দ্রে যথেষ্ট পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
-
-
বাহিনীর কার্যক্রম ও সমন্বয়
-
সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী একত্রে নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।
-
-
আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত হটলাইন চালু
-
ভোট চলাকালীন সময়ে নাগরিকরা সমস্যা বা অশান্তি সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন।
-
-
নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা প্রচার
-
নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করা হবে।
-
ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
-
নির্বাচনের সময় জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারবেন।
-
নিরাপত্তা বাহিনী ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে নিয়মিত নজরদারি করবে।
-
ভোটের আগে কোনো সংঘর্ষ এড়াতে সারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও তিন বাহিনীর প্রধানদের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের আগে-পরে ৫ দিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নাগরিকদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ভোট পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
এ ধরনের প্রস্তুতি বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে




