৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে গোয়েন্দা নজরদারি চলবে, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি সর্বোচ্চ। ভোটারদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য সারা দেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। রবিবার রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
শফিকুল আলম বলেন, “এবার নির্বাচনে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র প্রকাশ্য নিরাপত্তাই নয়, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মনিটরিং ব্যবস্থা সর্বোচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করা হবে।
নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও বাহিনী মোতায়েন
প্রেস সচিব শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচনে অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকবে, যাতে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানো এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।”
৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে গোয়েন্দা নজরদারি নিশ্চিত করবে শান্তিপূর্ণ ভোট

প্রেস সচিবের আশাবাদ অনুযায়ী, দেশের জনগণ শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারবে। শফিকুল আলম বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি এবারের নির্বাচন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটের উৎসব আবার ফিরে আসবে।”
ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, বিস্তৃত নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং গ্রহণযোগ্য হবে।
প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির ভূমিকা
ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি, মনিটরিং সিস্টেম এবং গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
শফিকুল আলম বলেন, “আমাদের প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমন্বয় নিশ্চিত করবে যে ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে।”
নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার পরিকল্পনা
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট প্রদান করবেন এবং এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও গণভোটের উৎসব হিসেবে স্মরণীয় হবে।
শফিকুল আলমের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির সমন্বয় ভোটকেন্দ্রগুলোকে নিরাপদ রাখার প্রধান হাতিয়ার।
নিরাপদ ভোটের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে
-
সারা দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ
-
অতীতের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন
-
গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রযুক্তিগত নজরদারি সক্রিয়
-
দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে সরকারের প্রতিশ্রুতি হলো, ভোটারদের সরাসরি অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা সর্বোচ্চ স্তরে নিশ্চিত করা।




