কানাডা যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত ভূমিকম্পে আতঙ্ক, ৭ মাত্রার কম্পন অনুভূত
শনিবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৭ রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত সুনামির কোনো তথ্য নেই এবং প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের কেন্দ্র বা এপিসেন্টার আলাস্কার জুনেউ শহর থেকে ২৩০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে এবং ইউকনের রাজধানী হোয়াইটহর্স থেকে ২৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এপিসেন্টারের গভীরতা মাত্র ১০ কিলোমিটার। USGS সূত্রে জানা গেছে, এই কম্পন অঞ্চলটি প্রত্যন্ত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।
ভূমিকম্পের তীব্রতা ও প্রতিক্রিয়া
কানাডার রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ হোয়াইটহর্স শাখার সার্জেন্ট ক্যালিস্টা ম্যাকলিওড জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটি শক্তিশালী ছিল এবং স্থানীয়রা স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভব করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও ৭ মাত্রার ভূমিকম্প ভয়ঙ্কর মনে হতে পারে, তবে সঠিক স্থানীয় প্রস্তুতি থাকলে প্রাণহানি বা বড় ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকে। কানাডা ভূমিকম্প প্রস্তুতি নির্দেশিকা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রভাবিত এলাকা ও সতর্কতা
এপিসেন্টারের নিকটবর্তী এলাকা তুলনামূলকভাবে জনবসতি কম। আলাস্কার দূরবর্তী অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হলেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। তবে স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক অবস্থান নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
Shikor TV Canada-এর আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পের প্রভাব প্রাথমিকভাবে নিরীক্ষণ করা হচ্ছে এবং নাগরিকদের অনলাইন সতর্কবার্তা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
নাগরিকদের করণীয়
ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ স্থানে থাকা, সরাসরি জানালা বা দেয়ালের কাছে না থাকা এবং জরুরি পরিষেবা নম্বর সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা ঘরোয়া প্রস্তুতি কিট প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেন।
প্রাকৃতিক ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ সতর্কতা
উত্তর-পশ্চিম আমেরিকার এলাকা ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলে পড়ে। অতীতে এখানে বহু শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটেছে। তাই নিয়মিত সতর্কতা এবং ভূতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে এই ৭ মাত্রার ভূমিকম্প তীব্র ছিল, বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রাণহানি এখনও রিপোর্ট হয়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।




