একজন মুক্তিযোদ্ধা দলে ভিড়িয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবেন না, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে। বিস্তারিত জানুন Shikor TV Canada-তে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি সর্বদা স্বাধীনতার পক্ষের অবস্থান নিয়েছে। বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “সাইনবোর্ড দেখানোর জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে ভিড়িয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবেন না। কারণ এ দেশের মানুষ জানে, আপনারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন।”
বিগত সময়ে দেশ আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। তবে বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল সবসময় দেশের সত্যিকারের স্বাধীনতা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় নিয়োজিত।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে BNP
চকরিয়া সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “এ দেশে নতুন করে কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হতে দেওয়া হবে না। মুক্তিযোদ্ধারা যে স্বপ্ন দেখেছিল, বার বার তা হোঁচট খেয়েছে। আমরা আর সেদিকে যেতে চাই না। আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে।”
এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে অটল।
ধর্মনিরপেক্ষতার পথে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এ দেশে ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নেই। অতীতেও বিএনপি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে, ভবিষ্যতেও করবে। আমাদের পরিচয় হবে একটাই, আমরা সবাই বাংলাদেশি।”
তিনি জামায়াত ইসলামের বিরুদ্ধে সতর্ক বার্তা দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাইনবোর্ড দেখানোর জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে ভিড়িয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবেন না।”
এখানে পরিষ্কার বোঝা যায়, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল শুধু রাজনীতিতে নয়, দেশের স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখছে।
রাজনৈতিক ঐক্য ও জনগণের প্রতি আহ্বান
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “আমাদের দলেই সবচেয়ে বেশি সেক্টর কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। বিএনপিই স্বাধীনতার পক্ষের দল এবং এর প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক ও রণাঙ্গনের একজন মুক্তিযোদ্ধা।”
তিনি জনগণকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. ফখরুদ্দীন ফরায়েজী, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন সহ বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কেন বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল গুরুত্বপূর্ণ
১. স্বাধীনতার পক্ষের অবস্থান – দলের অধিকাংশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা।
২. গণতন্ত্র রক্ষা – নতুন ফ্যাসিবাদের বিকাশ প্রতিরোধ।
৩. ধর্মনিরপেক্ষতা – সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিশ্চিত।
৪. স্থানীয় নেতৃত্বের শক্তি – স্থানীয় নেতৃত্ব ও কমিটি সক্রিয়।
৫. ঐতিহ্য ও ইতিহাস – দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক।
৬. জনগণের আস্থা – স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সমর্থন।
৭. জাতীয় ঐক্য – সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংহতি।
এভাবে দেখা যায়, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুধু শক্তিশালী নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।




