জুলাই সনদ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি করল বিএনপি শপথ বিতর্ক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শুরু হলো। সারজিম আলম ও সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদের মন্তব্য প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।
১১ দলের ঐক্যজোটের পরাজিত প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক

সারজিম আলম বলেছেন, “জুলাই সনদ ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু হলো।” এই মন্তব্য তিনি দিয়েছেন বিএনপির এমপিদের শপথ নেওয়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত বিএনপি এমপিরা ইতোমধ্যেই শপথ নিয়েছেন। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ তারা এখনো গ্রহণ করেননি।
বিএনপি শপথ বিতর্ক: সংবিধান সংস্কার ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, “যদি বিএনপি শপথ না নেয়, তাহলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না।” এই সিদ্ধান্ত দলীয় নীতি ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শপথ বিতর্ক আগামী দিনে সংসদ কার্যক্রমে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
বিএনপি শপথ বিতর্ক: সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক প্রভাব
সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া বিএনপির সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ‘কৌশলগত অবস্থান’ হিসেবে দেখছেন। এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের পর উদ্ভূত বিতর্ক দলীয় সমন্বয় ও জোটের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মন্তব্য করেছেন যে, “এটি একটি ঐতিহাসিক এবং বিতর্কিত শুরু, যা আগামী নির্বাচনী ও সংসদ কার্যক্রমের দিকে নজর রাখবে।”
শপথ বিতর্কের পরবর্তী ধাপ
বর্তমানে বিএনপি শপথ বিতর্ক এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদে অংশগ্রহণ না নেওয়ার ফলে সংসদে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে এই বিষয়ে সংলাপের প্রয়োজন হতে পারে।
শিকড় টিভি কানাডা এই বিষয়টি বিস্তারিত রিপোর্ট করেছে, যেখানে বিএনপি শপথ বিতর্ক এবং এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।




