এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design
জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেনঃ রাষ্ট্রপতি
Untitled design
ডিবেটিং ক্লাব (PADC)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো “Inter-Batch Debate Tournament 2026”—বিতর্ক আসর
Shikor Web Image (6)
একাত্তর ইস্যুতে অবস্থান না বদলালে জামায়াত নিয়ে বিতর্ক চলবেইঃ সংসদে তথ্যমন্ত্রী
Shikor Web Image (3)
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বেলারুশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎঃ সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা
Shikor Web Image
১০ জেলায় বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল ১৬ জনের

সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কী কী করবেন!

সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফর ঘিরে আজ ৬টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছেন । মাজার জিয়ারত, প্রকল্প উদ্বোধন ও ক্রীড়া আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

তারেক রহমান সিলেট সফর ঘিরে আজ শনিবার (সকাল ১০টা থেকে) সিলেটে শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সময়সূচি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন এবং দিনব্যাপী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

তাঁর সফরের মূল লক্ষ্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ধর্মীয় স্থানে জিয়ারত এবং সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ। এই সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

বিমানবন্দরে আগমন ও নিশ্চিতকরণ

শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সিলেটে তাঁর আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়েই সিলেটে পৌঁছেছেন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

দরগাগেটে মাজার জিয়ারত

সিলেটে পৌঁছানোর পর প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী নগরের দরগাগেট এলাকায় অবস্থিত সুফিসাধক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

এই জিয়ারত তাঁর সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি পরবর্তী সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন।

উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

চাঁদনিঘাটে বন্যাপ্রতিরোধী প্রকল্প

মাজার জিয়ারত শেষে বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সিলেট সার্কিট হাউস সংলগ্ন সুরমা নদীর পাড়ের চাঁদনিঘাট এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এই প্রকল্পের আওতায়:

  • নদীর দুই পাড়ে সৌন্দর্যবর্ধন
  • বন্যাপ্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ

এই উদ্যোগ স্থানীয় উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণ

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত একটি সুধী সমাবেশে অংশ নেন।

এই সমাবেশে স্থানীয় বিশিষ্টজন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

বাসিয়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন

দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এই কর্মসূচির লক্ষ্য:

  • পানি প্রবাহ সচল রাখা
  • জলাবদ্ধতা কমানো
  • কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি

উদ্বোধন শেষে তিনি পুনরায় সিলেট সার্কিট হাউসে ফিরে বিশ্রাম নেবেন।

ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন

বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু ও কিশোরদের জন্য ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এই কর্মসূচির লক্ষ্য:

  • নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা
  • তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা

এটি দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।

দলীয় সভায় অংশগ্রহণ

বিকেল ৫টায় প্রধানমন্ত্রী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় একটি সভায় অংশ নেবেন।

এই সভায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সাংগঠনিক আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকায় ফেরার সময়সূচি

দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

এই সফরটি একদিনের হলেও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, যা প্রশাসনিক, সামাজিক এবং ক্রীড়া—তিনটি ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলতে পারে।

তারেক রহমান সিলেট সফর: সামগ্রিক গুরুত্ব

তারেক রহমান সিলেট সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ

এই তারেক রহমান সিলেট সফর একাধিক কারণে তাৎপর্যপূর্ণ:

  • উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা
  • পরিবেশ ও অবকাঠামো উন্নয়ন
  • ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে উদ্যোগ
  • স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

এই সফরকে একটি সমন্বিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে উন্নয়ন, সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া—সব ক্ষেত্রেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে লক্ষ্য করা যায় যে, ধর্মীয় জিয়ারত থেকে শুরু করে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্রীড়া উদ্যোগ—সবকিছু একসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এটি একটি সমন্বিত সফর পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত