এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (25)
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি নেবে ইরান ও ওমান
Shikor Web Image (21)
হরমুজ প্রণালিতে যানজট নিরসনে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র
Shikor Web Image (19)
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে ‘লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়’ : নেতানিয়াহু
Shikor Web Image (14)
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ‘শোচনীয় পরাজয়’ বরণ করেছে: রাশিয়া
Shikor Web Image - 2026-03-12T152436.301
হিজবুল্লাহর ১৫০ রকেট, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল; ভয়ংকর রাত দেখল ইসরায়েল

মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি: যেসব দেশকে অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি অনুযায়ী ৫টি দেশ পাবেন অগ্রাধিকার, বিদেশে বিক্রি বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন সক্ষমতা শক্তিশালী হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যা মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি নির্ধারণ করছে। হোয়াইট হাউসের শুক্রবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই আদেশের লক্ষ্য হচ্ছে বিদেশে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের বিক্রি দ্রুত করা এবং দেশের ভেতরে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

নির্বাহী আদেশের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আমেরিকা ফার্স্ট আর্মস ট্রান্সফার স্ট্র্যাটেজি’। এতে বলা হয়েছে, যেসব দেশ নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে বেশি বিনিয়োগ করে এবং আঞ্চলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূকৌশলগত অবস্থান রাখে, তাদেরকে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নতুন মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতির উদ্দেশ্য

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে

ট্রাম্প আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য মিত্র দেশগুলোর কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহ নিশ্চিত করতে চান। একই সঙ্গে, বিদেশে বিক্রি বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে উৎপাদন ও সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে।

নির্বাহী আদেশে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে হোয়াইট হাউসের তথ্যপত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের অস্ত্র বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিদেশে বিক্রি থেকে হওয়া আয় ও বিনিয়োগের অর্থ ব্যবহার করে দেশে সামরিক উৎপাদন বাড়ানো হবে।

কোন দেশগুলো হতে পারে অগ্রাধিকারভোগী?

২০২৫ সালে ন্যাটো দেশগুলোর নেতারা নিজেদের জাতীয় আয়ের (জিডিপি) ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করতে সম্মত হয়েছেন। এছাড়া তারা প্রতিজ্ঞা করেছেন, ন্যাটোর কোনো দেশ যদি আক্রমণের শিকার হয়, অন্য দেশগুলো তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে।

এই নীতির আলোকে মার্কিন প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রীরা একটি তালিকা তৈরি করবেন। এতে উল্লেখ থাকবে কোন দেশগুলোতে কোন ধরনের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে এবং কোন দেশগুলো কৌশলগত কারণে অগ্রাধিকার পাবে।

মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতির কৌশলগত প্রভাব

মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি বিদেশে বিক্রি বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশীয় সামরিক শিল্পে নতুন বিনিয়োগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া এই কৌশল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও দৃঢ় করবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত উদ্যোগ। এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের আন্তর্জাতিক প্রভাবকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণ

বিশ্ব সংবাদ সংস্থা Reuters অনুযায়ী, মার্কিন এই নীতি নতুন করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে। বিশেষত, আঞ্চলিক ভূকৌশলগত দেশগুলোতে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের গতিকে ত্বরান্বিত করবে।

শিকার টিভি কানাডার ভেতরে, এই বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি রিপোর্ট

 

নতুন কৌশলের আওতায় মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একত্রে কাজ করে অস্ত্র বিক্রয়ের সুযোগ ও প্রাধান্যভোগী দেশ চিহ্নিত করবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের সামরিক উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়ন আরও শক্তিশালী হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, মার্কিন অস্ত্র বিক্রয় নীতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, মিত্র দেশগুলোর শক্তিশালী প্রতিরক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে।

সর্বাধিক পঠিত