বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর , তারেক রহমান সচিবালয়ে ৫০% লাইট বন্ধ ও এসি নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দেন। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ সব প্রতিষ্ঠানে অনুরোধ করেছেন।
সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে অর্ধেক লাইট বন্ধ ও এসির শক্তি কমিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগ সকলের জন্য নির্দেশনা হিসেবে এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন এসব তথ্য জানান।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন। অফিসে এসে তিনি নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইট বন্ধ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫.১ মাত্রায় নিয়েছেন। এই ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।”
সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী শুধু নিজের দপ্তরেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রবেশের সময় তিনি মন্ত্রী পরিষদ কক্ষে অর্ধেক লাইট বন্ধ ও এসির মাত্রা কমানোর নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার পর সচিবালয়ের সকল কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ করা হয়েছে এবং এসির শক্তি নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ সব প্রতিষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মন্ত্রণালয়, সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণি বিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, দিনের বেলা অফিস বা বাড়ির জানালা খুলে সূর্যের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগ সচিবালয়ের সকল দপ্তরকে উদাহরণ হিসেবে প্রেরণা দেবে।”
সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। এখানে মন্ত্রিসভা বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ বিভিন্ন বিভাগ অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সচিবালয়ে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবস্থার ফলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে খরচ হ্রাস পাবে। পাশাপাশি এটি দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা ও পরিবেশের প্রতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে উদাহরণ স্থাপন করে।




