কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন। ৫০ সদস্যের নতুন সরকারে কারা কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন জানুন বিস্তারিত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়াবেন। নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্ব ও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার অংশ হিসেবে এই শপথ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। এতে থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এই নতুন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
পূর্ণমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন
বিএনপি মন্ত্রিসভা তালিকা অনুযায়ী পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ২৫ জন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তাদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: ভূমি মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
এছাড়া আরও ৪ জন কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি
২২. আ ন ম এহসানুল হক মিলন (এমপি)
২৩. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (এমপি)
মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
২৪. ফকির মাহবুব আনাম (এমপি)
মন্ত্রণালয়: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
২৫. শেখ রবিউল আলম (এমপি)
মন্ত্রণালয়: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; রেলপথ মন্ত্রণালয়; নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন
১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (এমপি)
মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: ভূমি মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: রেলপথ মন্ত্রণালয়; নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বৈদেশিক সম্পর্ক জোরদার এবং প্রশাসনিক সংস্কার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে থাকবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মন্ত্রিসভা দেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কার্যকর বাস্তবায়নই হবে সরকারের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।







