এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (87)
জামায়াত চাঁদা হাদিয়া বিতর্ক: বরকত উল্লাহ বুলু বললেন জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি
Shikor Web Image (84)
মির্জা ফখরুল বিএনপি নির্বাচন বক্তব্য: জামায়াতের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বিএনপির আছে
Shikor Web Image (81)
জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বুধবার
Shikor Web Image (78)
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা: দায়িত্বে কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
Shikor Web Image (69)
তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: আন্দালিব রহমান পার্থ

চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি: ঘোষণা দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম

চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি বলে ঘোষণা দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর শক্ত ও ইতিবাচক বার্তা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি—এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন ঢাকা–১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ভোটের মাধ্যমেই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলবাজ রাজনীতির অবসান ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুল এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং গণসংযোগের সময় তাঁর বক্তব্য ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা দেখা যায়।

নাহিদ ইসলামের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল সরকার পরিবর্তনের নয়; এটি একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনার নির্বাচন। সেই কারণেই চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি—এই বার্তাকে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছেন।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অভিযোগ

প্রচারণার সময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, নির্বাচনী মাঠে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। তাঁর ভাষায়, একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করছে। তবে এসব চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। ভয় দেখিয়ে ভোট কেড়ে নেওয়ার দিন শেষ। মানুষ বুঝে গেছে, কারা চাঁদাবাজি আর দখলবাজির রাজনীতি করে, আর কারা পরিবর্তনের কথা বলে।

এই প্রেক্ষাপটে চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি—এই ঘোষণাকে তিনি জনগণের শক্তির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ভোটারদের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান

নাহিদ ইসলাম ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যাকেই ভোট দিন, বিবেচনা করে দিন। এবারের ভোট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, কোনো সুবিধা, অর্থ বা মিথ্যা আশ্বাসের বিনিময়ে ভোট দেওয়া উচিত নয়। বরং যোগ্য, সৎ এবং পরিবর্তন আনতে সক্ষম প্রার্থীকে ভোট দেওয়াই হবে দায়িত্বশীল নাগরিকের কাজ।

নাহিদ ইসলামের মতে, ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্তই পারে চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি বাস্তবে রূপ দিতে।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

এই নির্বাচনকে নাহিদ ইসলাম “নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন” হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, জনগণের সাড়া ইতোমধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। তরুণ ভোটাররা বিশেষভাবে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ক্ষমতার পালাবদল নয়—মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সিস্টেম পরিবর্তন। যেখানে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং দখলবাজির কোনো জায়গা থাকবে না।

এই লক্ষ্য পূরণে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিনকে তিনি একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে দেখছেন। কারণ তাঁর মতে, চাঁদাবাজ-দখলবাজদের শেষদিন ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি প্রতীকী বার্তা।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান

নির্বাচনী প্রচারণার সময় নাহিদ ইসলাম শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণভোট জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের সুযোগ।

গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশাবাদী।

নির্বাচন ও গণতন্ত্রের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে

সর্বাধিক পঠিত