যেখানে মেয়াদ শেষ সেখানে আগে সিটি নির্বাচন ২০২৬ দ্রুত শুরু হবে। মির্জা ফখরুল ঘোষণা করেছেন ঢাকার দুই ও চট্টগ্রামের নির্বাচন প্রথমে হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে সচল করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “যেখানে মেয়াদ শেষ হবে, সেখানে আগে সিটি নির্বাচন হবে।”
মন্ত্রী জানান, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে সরকার ইতিমধ্যেই সময়সূচি ঠিক করতে শুরু করেছে। বিশেষভাবে যেসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ আগে শেষ হবে, সেগুলোতে নির্বাচন প্রথমে অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৬ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রাথমিক পরিকল্পনা

মির্জা ফখরুল বলেন, “যেসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ আগে শেষ হবে, সেসব জায়গায় নির্বাচন আগে হবে। সেক্ষেত্রে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রথমে ভোট হবে। এরপর ধাপে ধাপে বাকি সিটি করপোরেশনগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রশাসকরা আমলাদের তুলনায় ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন।
দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ১২ মার্চ
স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি-না, তা ১২ মার্চের প্রথম সংসদ অধিবেশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।“
এতে করে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে এবং ভোটের সময়সূচি আরও স্পষ্ট হবে।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০২৬–এর গুরুত্ব
এই নির্বাচন দেশের স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম সচল করতে একটি বড় ধাপ। সঠিক সময়ে নির্বাচন না হলে সিটি করপোরেশনগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। মির্জা ফখরুলের এই ঘোষণা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সরকারের এই পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণকে সেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কিভাবে নির্বাচন প্রভাবিত করবে নগরবাসীকে
ধাপে ধাপে নির্বাচনের ফলে প্রধান সিটি করপোরেশনগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি পাবে। এটি নাগরিকদের জন্য প্রশাসনিক পরিষেবা এবং পরিকল্পনার প্রভাবকে সরাসরি স্পর্শ করবে।




