এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (20)
বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্য গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল
Shikor Web Image (17)
কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সহায়তা পৌঁছাবে কৃষকের কাছে: তথ্যমন্ত্রী
Shikor Web Image (14)
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
Shikor Web Image (11)
রাজধানীতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ
Shikor Web Image (8)
আগের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ব্যয় হবে নতুন দুই মেট্রো রেলে

২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। গুণীজনদের স্বীকৃতি ও মেলার রঙিন আয়োজন থাকবে।

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে একুশে পদক ও বইমেলা ২০২৬। রাজধানীতে এই দিন সকালে একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুণীজনদের হাতে পদক তুলে দেবেন। বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন তিনি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, রাজধানীতে সকাল ও বিকেলে অনুষ্ঠিত এই দুটি অনুষ্ঠান দেশের সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক অঙ্গনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

একুশে পদক বিতরণ: গুণীজনদের স্বীকৃতি

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, একুশে পদক ও বইমেলা ২০২৬ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত গুণীজনরা একুশে পদক পাবেন।

“২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গুণীজনদের হাতে পদক তুলে দেবেন,” বলেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।

এই পদক দেশের সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। প্রতিটি বছরের মতো এবারও পদকপ্রাপ্তরা দেশের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবেন।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্বোধন

পদক বিতরণের পরে বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার রঙিন আয়োজনের সূচনা করবেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, “অনুষ্ঠান দুটি ঘিরে প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এই আয়োজন দেশের পাঠক সমাজ ও প্রকাশক মহলে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে।”

বইমেলায় দেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করবে এবং সাহিত্য, ইতিহাস, গবেষণা ও শিশুতোষ বইগুলো প্রদর্শিত হবে। মেলায় পাঠকদের জন্য স্লাইড শো, বইপ্রদর্শনী এবং আলোচনাসভাও থাকবে।

একুশে পদক ও বইমেলা ২০২৬: সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

একুশে পদক ও বইমেলা ২০২৬ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। পদকপ্রাপ্তরা দেশের জন্য অনন্য অবদান রাখেন এবং বইমেলা পাঠক ও প্রকাশকদের জন্য বুদ্ধিবৃত্তিক মিলনমেলা হিসেবে পরিচিত।

এই ধরনের অনুষ্ঠান দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। শিক্ষাবিদ, লেখক ও সাধারণ পাঠকরা একযোগে মিলিত হয়ে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পান।

প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

সংস্কৃতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠান দুটি ঘিরে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন সংস্থা ও প্রশাসনিক ইউনিট অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশের সামাজিক ও বৌদ্ধিক অঙ্গনের জন্য শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

সর্বাধিক পঠিত