এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image - 2026-03-12T150711.345
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
Shikor Web Image - 2026-03-12T150235.435
ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল
Shikor Web Image - 2026-03-12T145742.401
সংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস-জাইমাসহ আরো রয়েছেন যারা
Shikor Web Image (98)
নতুন মন্ত্রী আহমেদ আযম খান
Shikor Web Image (96)
সংসদে শোকপ্রস্তাব খালেদা জিয়া ও বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন: আশাবাদ জামায়াত আমির

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের আশাবাদ এবং প্রস্তুতি; জানুন কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনগণের জন্য স্বীকৃত হবে।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের ইচ্ছা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে।

হাদির কবর জিয়ারত ও জাতীয় নৈতিকতার গুরুত্ব

আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ফজর নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করতে গিয়ে জামায়াত আমির এই বক্তব্য রাখেন। তিনি হাদির সম্পর্কে বলেন, ‘হাদিরা বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলত, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল। আমাদের সংস্কৃতির সঠিক ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেত।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘হাদি কারো ওপর অন্যায়ের হাত বাড়ায়নি, কারো ওপর জুলুম করেনি। তিনি সর্বদা ইনসাফের কথা বলেছে। এমনকি শত্রুর প্রতিও বেইসনসাফি করতে চাইনি। এই কারণে হাদির ভালোবাসা অনেকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিল। কিন্তু কিছু মানুষ এর সহ্য করতে পারেনি এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে দুনিয়া থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে।’

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের দৃঢ় আশাবাদ

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হোক, এ ব্যাপারে আমরা দৃঢ় আশাবাদী। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। মূল কথা হলো নির্বাচনটি যেন সুষ্ঠু হয়, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং সত্যিকারের জনমতের প্রতিফলন ঘটে। এখানে যেন অন্য কিছু চিন্তা না করা হয়।’

জামায়াতের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলের ইতিবাচক ভূমিকার প্রমাণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

নির্বাচনের গুরুত্ব ও জনগণের প্রত্যাশা

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি দেশের জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরীক্ষাও বটে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্নের দিকে নজর দিয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সরাসরি মূল্যায়ন করতে পারবে। এটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা

নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা এবং ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া, মনিটরিংয়ের জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেশের জনগণের জন্য একটি নতুন আশা এবং বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং প্রশাসন একসাথে কাজ করছে।

সর্বাধিক পঠিত