যারা বাইরে ছিল তারাই আমাদের গুপ্ত বলছে জামায়াতে ইসলামী নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সাহসী বক্তব্যে দেশের ন্যায্যতা ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি। বিস্তারিত পড়ুন।
জামায়াতে ইসলামী নেতা ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি রাজধানীর গ্রিন রোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচনী জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যারা বছরের পর বছর দেশের বাইরে ছিল, তারা এখন আমাদের গুপ্ত ও সুপ্ত বলছে। অথচ আমরা কারাগারে ছিলাম, গুম-খুনের শিকার হয়েছি।”

ডা. শফিকুর রহমানের এই বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তিনি দেশ ছেড়ে পালানো বা আধিপত্যবাদের সঙ্গে আপস না করে জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
হাই লাইট ১: দেশের মজলুম মানুষের পাশে থাকা
জামায়াতে ইসলামী নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা শত জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।” তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মজলুম মানুষের দুঃখ-কষ্ট বোঝা এবং কখনো জালিম হওয়ার মনোভাব না রাখাই দলের মূল নীতি।
হাই লাইট ২: দেশে ফিরে সাহসী পদক্ষেপ
শহীদ মীর কাসেম আলী আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে জামায়াতের উদ্যোগে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমি কোনো অপরাধ করিনি, তাই জেলে যেতে ভয় নেই। তবে দেশে ফিরে আমাদের নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং বিচার প্রক্রিয়ার নামে অবিচারের শিকার হয়েছেন।”
এই সাহসী পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জেল বা ফাঁসির ভীতি সত্ত্বেও জনগণের পাশে থাকার একটি স্পষ্ট বার্তা প্রেরণ করে।
হাই লাইট ৩: ভোটের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের মূল আকর্ষণ হলো দেশের ভোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষের অধিকার রক্ষা ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পরিকল্পনা। তিনি বলেন, “আমরা জামায়াতে ইসলামী বিজয় চাই না, আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। আমাদের লক্ষ্য যুবসমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা।”
হাই লাইট ৪: সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
জামায়াত ক্ষমতায় এলে চামড়াশিল্প, বেকারভাতা এবং যুবসমাজের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “হাজারীবাগের ট্যানারিশিল্পকে পরিকল্পিতভাবে রক্ষা করতে আমরা ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করব।”
হাই লাইট ৫: নারীর নিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যায়
ডা. শফিকুর রহমান নারী ও মায়েদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যদি কোনো মা-বোনের গায়ে হাত দেওয়া হয়, আমরা চুপ করে থাকব না। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যুবকরা যেমন লড়েছে, তেমনভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।”
হাই লাইট ৬: জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝার অঙ্গীকার
তিনি জনগণকে বোঝাতে চেয়েছেন যে ভোট চাওয়ার জন্য নয়, দেশের মানুষকে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করা তাঁর মূল লক্ষ্য।
হাই লাইট ৭: দেশের জন্য সততা ও যোগ্য নেতৃত্বের আহ্বান
ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনের আগে সততা ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “ঢাকা-১০ আসনের সব সমস্যা দ্রুত সমাধান সম্ভব, শুধু সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে।”




