১৪ বোতল মদসহ আটকের ঘটনায় মুখ খুললেন মেহজাবীন, অভিযোগ অস্বীকার ও টার্গেটিং নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন।
ঢাকা: গত বছরের আগস্টে ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হওয়া মেহজাবীন চৌধুরী ১৪ বোতল মদ মামলা এখনো সংবাদমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

ঘটনার সময় মেহজাবীনের সঙ্গে ছিলেন স্বামী, নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। যদিও তাদের লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া যায়, রহস্যজনকভাবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এটি প্রকাশ না করে ছেড়ে দেয়। পরে খবরটি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মেহজাবীন সমালোচনার মুখে পড়েন।
টার্গেটিং ও মিথ্যা অভিযোগের প্রতিক্রিয়া
মেহজাবীনের বক্তব্য, “দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। সম্প্রতি একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানি করা হয়েছিল। তবে বিজ্ঞ আদালত আমাকে সেই মামলায় অব্যাহতি দিয়েছেন এবং সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা হচ্ছে। এ ধরনের প্রচেষ্টা আমার পেশাগত কাজের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।”
মেহজাবীন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট করেছেন যে তিনি শুধুমাত্র নিজের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে চান এবং চান, তার পেশাগত কাজ আলোচনায় থাকুক, বিতর্ক নয়।
প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ
অভিনেত্রী প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি ও ভিডিও শিল্পীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে।”
এ সময় তিনি নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার টার্গেটিংয়ের প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মেহজাবীন মনে করেন, এই ধরনের আচরণ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং পেশাগত জীবনের ওপরও প্রভাব ফেলে।
মেহজাবীনের অবস্থান পরিষ্কার
সবশেষে অভিনেত্রী জানান, তিনি চাইছেন যে তাঁর কাজকেই গুরুত্ব দেওয়া হোক। তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো আমার পেশাগত কাজের মাধ্যমে সমাজের সঙ্গে সংযোগ রাখা, বিতর্ক বা অযাচিত সমালোচনা নয়।”
এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা BBC ও স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সেলিব্রিটিরা বর্তমান প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।




