নোয়াখালী বিভাগের দাবি বাস্তবায়নে জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করলেন ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিস্তারিত জানুন Shikor TV Canada-তে।
নোয়াখালীবাসীর longstanding দাবির মধ্য দিয়ে নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় ঘোষণা করেন, ক্ষমতায় গেলে এই দাবি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
হাইলাইটস অফ জনসভা

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নোয়াখালী বিভাগের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের দাবিগুলোও পূরণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, বিশেষ করে হাতিয়া-কোম্পানীগঞ্জ-সুবর্ণচর এলাকার জন্য। এছাড়াও কোম্পানীগঞ্জ-ছোট ফেনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ ও সোনাপুর থেকে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসে, তাদের হাতে ক্ষমতা গেলে দেশের মানুষের জন্য ভালোবাসার দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। যারা ভালোবাসতে পারেনি, তারা অপকর্মে লিপ্ত, তাই তাদের হাতে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ। এই বার্তা সবার কাছে পৌঁছেছে এবং নোয়াখালীবাসী ও সমগ্র বাংলায় ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে জোয়ার উঠেছে।
যুবসমাজের প্রতিক্রিয়া
বিশেষ করে জুলাইযোদ্ধা যুবসমাজ ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখার অপেক্ষায়। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা কি আধিপত্যবাদের পক্ষ নেবে, নাকি যারা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে তাদের পাশে থাকবে। ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, যুবকরা বুঝতে পেরেছে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা কাদের দ্বারা বাস্তবায়ন হবে।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সমর্থন
জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান নোয়াখালীর ৬টি আসনে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান। এছাড়া তিনি বিজয়ী প্রার্থীদের ঘরে ফেরার অনুরোধও জানান। পরবর্তীতে তিনি চারজন জামায়াত প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ১১ দলীয় জোটের অন্য দুই প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি তুলে দেন।
নোয়াখালী বিভাগের গুরুত্ব
নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়, এটি অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়রা আশাবাদী যে, নতুন প্রশাসনিক কাঠামো ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ভাঙন নিয়ন্ত্রণ, রেললাইন সম্প্রসারণ এবং নগর উন্নয়ন সহজতর হবে।
কৌশল ও পরিকল্পনা
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় গেলে নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়; এটি হবে অঞ্চলের মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির একটি বড় পদক্ষেপ। নদী ভাঙন রোধ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বিশেষ জোর দেওয়া হবে।
জনসাধারণের প্রত্যাশা
নোয়াখালীবাসী, বিশেষ করে যুবসমাজ, আশা করছে যে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে নদী রক্ষা, সিটি করপোরেশন উন্নয়ন এবং নতুন রেললাইন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। এ ধরনের পরিকল্পনা শুধু প্রশাসনিক নয়, এটি সমগ্র অঞ্চলের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।




