এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (87)
জামায়াত চাঁদা হাদিয়া বিতর্ক: বরকত উল্লাহ বুলু বললেন জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি
Shikor Web Image (84)
মির্জা ফখরুল বিএনপি নির্বাচন বক্তব্য: জামায়াতের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বিএনপির আছে
Shikor Web Image (81)
জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বুধবার
Shikor Web Image (78)
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা: দায়িত্বে কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
Shikor Web Image (69)
তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: আন্দালিব রহমান পার্থ

সেনাবাহিনী প্রধান বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন: ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য যা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তা করবে

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্প্রতি বগুড়া সেনানিবাসের আর্মার্ড কোর সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এসিসিঅ্যান্ডএস) অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনী প্রধান বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন-এ উপস্থিত হন। এই সম্মেলনে তিনি সাঁজোয়া কোরের সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেশের সেবায় ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান জানান।

সম্মেলনে তিনি আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন, যা বর্তমান বিশ্বে উদ্ভূত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে।


সেনাবাহিনী প্রধানের প্রধান বার্তা

সেনাবাহিনী প্রধান জোর দিয়ে বলেন যে, সাঁজোয়া কোরের সদস্যদের নিয়মিত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রশিক্ষণ শুধু সামরিক দক্ষতা বৃদ্ধি করবে না, বরং দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধকেও আরও দৃঢ় করবে।

তিনি বলেন, “প্রত্যেক সদস্য দেশের সেবায় অনন্য ভূমিকা রাখবে, যদি সঠিক প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা অর্জিত হয়।”

সম্মেলনে সেনাপ্রধান সাঁজোয়া কোরের ঐতিহ্য ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত।


আধুনিক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব

সেনাপ্রধানের বক্তব্য অনুযায়ী, আধুনিক প্রশিক্ষণ হল সাঁজোয়া কোরের সক্ষমতা বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি। প্রযুক্তি, কৌশল এবং অভিজ্ঞতা মিলিয়ে একটি শক্তিশালী আর্মি তৈরি করা সম্ভব।

এই প্রশিক্ষণ শুধু সাঁজোয়া কোরের জন্য নয়, সমগ্র সেনাবাহিনীর জন্য প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য সেনাপ্রধান নির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে সদস্যরা বিশ্বসামরিক মানদণ্ড অনুসারে প্রস্তুত থাকে।


সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন:

  • জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড

  • সাঁজোয়া কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট

  • ডিজি এনএসআই, অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল

  • জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার

  • এসিসিঅ্যান্ডএস কমান্ড্যান্ট

  • সাঁজোয়া ব্রিগেডের প্রতিনিধিসহ সকল ইউনিটের অধিনায়ক

আইএসপিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, এই সম্মেলন শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনার জন্য নয়, বরং সেনাবাহিনীর একতা ও ঐক্যবোধকে আরও দৃঢ় করার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।


দেশের সেবায় ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

সেনাবাহিনী প্রধান বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে আরও বলেন, প্রতিটি সদস্যকে দেশের সেবায় নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের সুরক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা আরও উন্নত হবে।

তিনি নতুন প্রজন্মের সেনাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য বলেন, “সাঁজোয়া কোরের সকল সদস্য মাতৃভূমির সেবায় সর্বোচ্চ অঙ্গীকার প্রদর্শন করবে।”


 আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতি

বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সক্ষমতা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও কৌশল উন্নয়নই মূল ভিত্তি।

 


 সেনাবাহিনী প্রধান বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন, পেছনে সাঁজোয়া কোরের সদস্যরা উপস্থিত।

 সেনাবাহিনী প্রধান বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনটি প্রমাণ করে যে, দেশের সুরক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। এই ধরনের সম্মেলন শুধু সেনাদের দক্ষতা বৃদ্ধিই নয়, বরং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতাও বৃদ্ধি করে।

সাঁজোয়া কোরের সদস্যরা জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করলে ভবিষ্যতে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম হবে।

সর্বাধিক পঠিত