এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (75)
পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন: জানে তারা হারবে—কীর্তি আজাদ ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নাটকীয় মন্তব্য
Shikor Web Image (72)
এপস্টেইন ফাইলস: যে কারণে এটি বিশ্বব্যাপী এত আলোচিত
Shikor Web Image (54)
বিশ্বকাপের সময় বিসিবির আয়োজনে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ’
Shikor Web Image (24)
বিশ্বকাপ ছিটকে গেলেন প্যাট কামিন্স
Shikor Web Image (21)
পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপ ফাইনালের প্রতিশোধ নিতে চায় ভারত

ট্রাম্প ফিফা শান্তি পুরস্কার পেলেন: নিজের গলায় নিজেই মেডেল পরালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফার নতুন চালু করা ফিফা শান্তি পুরস্কার—এর প্রথম প্রাপক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ড্র অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর হাত থেকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মান গ্রহণ করেন তিনি। এই ঘোষণা বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

নতুন পুরস্কারের সূচনা এবং ট্রাম্পের নাম ঘোষণার পর ফুটবলভক্ত, বিশ্লেষক—সবার মধ্যেই এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। ফিফার ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই ট্রাম্প ফিফা শান্তি পুরস্কার বিষয়টি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।


কেন গুরুত্ব পেল ট্রাম্প ফিফা শান্তি পুরস্কার?

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করতে যারা ‘অসামান্য ভূমিকা’ রাখছেন, তাদের সম্মানিত করতেই এই নতুন পুরস্কারের সূচনা। তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়—ফুটবল এমন একটি খেলা, যা সারা বিশ্বের মানুষকে একই আবেগে যুক্ত করে। আর সেই সংযোগকে শক্তিশালী করতে যারা উদ্যোগ নেন, তারা এই স্বীকৃতির যোগ্য।

ট্রাম্পের সঙ্গে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি ট্রাম্পের নাম আগেই আলোচনায় এনে দেয়। ফলে ঘোষণাটি কোনোভাবেই অপ্রত্যাশিত ছিল না।


ফিফার বক্তব্য: ‘বিশ্বকে একত্রিত করার অসাধারণ উদ্যোগ’

ফিফার অফিসিয়াল বিবৃতি অনুযায়ী, ট্রাম্পকে নির্বাচনের পেছনের প্রধান কারণ হলো—

  • আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কূটনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা

  • বিভিন্ন দেশের মধ্যে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়তা

  • উত্তর আমেরিকায় যৌথ বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রচেষ্টায় তার সমর্থন

বিশেষ করে ২০২৬ বিশ্বকাপকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে আয়োজনের আলোচনা ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল।

পুরস্কার গ্রহণে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন—

“এটি আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান। জিয়ান্নি ফুটবলের জন্য অবিশ্বাস্য কাজ করছে। ফুটবল—অথবা যেটিকে আমরা সকার বলি—এর জনপ্রিয়তা এখন কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি।”

তার বক্তব্যে ফিফা সভাপতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে গভীর উৎসাহ স্পষ্ট ছিল।

ট্রাম্প ফিফা শান্তি পুরস্কার: বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া

পুরস্কার ঘোষণার পর রাজনৈতিক বিশ্লেষক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করছেন।

কেউ বলছেন—

  • এটি ফিফার কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

  • বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রচারণায় ট্রাম্প এখন আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

আবার সমালোচকরা মনে করছেন—

  • শান্তি পুরস্কারের মানদণ্ড আরও সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন।

  • এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যত বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

তবে ফিফার স্পষ্ট বক্তব্য—পুরস্কারটি সম্পূর্ণরূপে ফুটবল ও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ফিফা শান্তি পুরস্কার: ঐতিহাসিক শুরু

ফিফা প্রথমবারের মতো শান্তিবিষয়ক একটি পুরস্কার চালু করল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মধ্যে এটি একটি অনন্য উদ্যোগ।

মূল উদ্দেশ্য:

  • শান্তি, ঐক্য এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রচার

  • ফুটবলভিত্তিক বিশ্ব সংযোগকে শক্তিশালী করা

  • উদাহরণযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদান

ফলে বছরের পর বছর এই পুরস্কার কাকে দেওয়া হবে—তা বিশ্বব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা

আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আয়োজন করবে।

এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব:

  • ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ

  • ৪৮টি দল

  • উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ

  • বিশাল অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব

ট্রাম্প প্রশাসনের সময় থেকেই এই যৌথ আয়োজনের কূটনৈতিক ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি শুরু হয়। ফিফা এ কারণেই তাঁর অবদানকে “ব্যতিক্রমী” বলে উল্লেখ করেছে।

ট্রাম্প ফিফা শান্তি পুরস্কার: বিশ্লেষণ (H2 includes Focus Keyword)

ফুটবল বিশ্বে নতুন এই পুরস্কারের প্রথম প্রাপক হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাচন বার্তা দিয়েছে—ফিফা শুধু খেলার উন্নয়ন নয়; আলোচনার, কূটনীতির, এবং বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগেও সক্রিয় থাকতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে—

  1. উত্তর আমেরিকার যৌথ বিশ্বকাপ আয়োজন

  2. ইনফান্তিনোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক

  3. আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি গঠনে ব্যক্তিগত উদ্যোগ

  4. মার্কিন প্রশাসনের ক্রীড়া কূটনীতিতে ট্রাম্পের সম্পৃক্ততা

ঠিক এসব কারণেই তিনি প্রথম প্রাপক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত