এইমাত্র

আরও খবর

Website Feature Image (4)
এইচএসসি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন যারা
Website Feature Image (1)
আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে এক মাস সময় চান ব্যারিস্টার ফুয়াদ
Website Feature Image (3)
মিরপুর-১ ও ১০-এ উচ্ছেদ বন্ধ ও পুনর্বাসনের দাবিতে বনানীতে মানববন্ধন
Website Feature Image (17)
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
Website Feature Image (12)
অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা: সর্বোচ্চ চার বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ, দুয়েক দিনের মধ্যে রুটিন

জুলাই আন্দোলন কোনো দল বা ব্যক্তির একক নয়: তারেক রহমান

জনগণের ঐক্য ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সফল পরিণতি-বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৫ আগস্ট ২০২৪ একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এদিন যে বিজয় অর্জিত হয়েছে, তা কোনো একক দলের অর্জন নয়-বরং গোটা জাতির স্বপ্ন, সংগ্রাম ও অংশগ্রহণের ফসল। সম্প্রতি লন্ডনে আয়োজিত এক স্মরণসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমন মন্তব্য করে এই আন্দোলনের সার্বজনীন রূপটি স্পষ্ট করেছেন।

 

জাতীয় ঐক্যের প্রতিচ্ছবি

তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই মাসজুড়ে যে গণআন্দোলন চলেছে, তা ছিল আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে একটি সর্বজনীন প্রতিবাদ। তিনি বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তি বা দলের একক আন্দোলন নয়-এটি সবার।” এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, আন্দোলনের সফলতা এসেছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে।

 

মাহবুব আলী খানের স্মরণসভা

৬ আগস্ট লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই সভাটি ছিল সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও প্রখ্যাত দেশপ্রেমিক রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত। তারেক রহমান, যিনি মাহবুব আলী খানের জামাতা, সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “মাহবুব আলী সাহেব দেশের জন্য কাজ করেছেন। আমরা যারা রাজনীতি করি, তারাও দেশের জন্য কাজ করতে চাই।”

 

প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা

তারেক রহমান নিজের বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা আলাদাভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি আজ প্রায় ১৭ বছর প্রবাসে আছি। আপনাদের মতো আমিও একজন প্রবাসীর অংশ। আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সত্য প্রকাশ করে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”

 

ভবিষ্যতের আহ্বান

তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, দেশে যে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে তা কাজে লাগাতে। “আসুন, আমরা শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই, মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং আগামী দিনের গণতান্ত্রিক সরকারকে সহযোগিতা করি।” এই আহ্বান ছিল শুধু দলের প্রতি নয়, বরং গোটা জাতির উদ্দেশ্যে।

 

সভায় উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবায়দা রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, ইউরোফের সমন্বয়ক কামাল উদ্দিনসহ অনেক প্রবাসী নেতৃবৃন্দ।

 

সবশেষে:

৫ আগস্টের বিজয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক- যা প্রমাণ করে যে, কোনো স্বৈরাচারী শাসন দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না, যদি জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকে। তারেক রহমানের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আন্দোলনের সফলতা এসেছে সকলের মিলিত চেষ্টায়। এখন সময় এই বিজয়ের অর্জনকে ধরে রেখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার।

সর্বাধিক পঠিত