এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design (15)
ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা নেই তেহরানের চুক্তির বিষয়ে আন্তরিক হলেই আলোচনা: আরাগচি
Untitled design (12)
শ্রম আইন লঙ্ঘন ৭২০০ ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করল সৌদি আরব
Untitled design (9)
বেলারুশ থেকে ন্যাটো দেশগুলোতে হামলার পরিকল্পনা: জেলেনস্কি
Untitled design (21)
সৌদি আরবও কি গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছিল
Untitled design (18)
রেকর্ড গতিতে কমছে তেলের মজুদ

পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা: ৬ সেনা নিহত

পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় ৬ সেনা নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা বেড়েছে। হামলার বিস্তারিত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পড়ুন Shikor TV Canada-তে।

পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা আবারও দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক করেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররাম জেলায় সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা ঘটে। এতে ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন। দেশটির তিনজন পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং হামলার প্রেক্ষাপট

কুররাম জেলা আফগানিস্তানের সীমান্তের খুব কাছে অবস্থিত। পূর্বে এটি উপজাতীয় এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা আরও তীব্র হয়েছে। পাকিস্তান সরকারের জন্য এটি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এর আগে বেলুচিস্তানের চামান সেক্টরে পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে আফগান তালেবান বাহিনী ছোট অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। পাকিস্তানি বাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বিরতিহীন গোলাগুলি চলে। পাকিস্তানি বাহিনী রকেট লঞ্চার, মর্টার এবং ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে, যার ফলে আফগান বাহিনীর তিনটি পোস্ট ধ্বংস হয়।

পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর জবাব

আফগান সেনারা নিজেদের পোস্ট ছেড়ে বেসামরিক এলাকায় আশ্রয় নিলে পাকিস্তানি বাহিনী দ্বিতীয় দফায় ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত হানে। এই সংঘর্ষে সশস্ত্র সোয়ার্ম ড্রোনও ব্যবহৃত হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলায় ২৩ জন আফগান সেনা নিহত এবং অনেক আহত হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ও সেনাবাহিনী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা এমন এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে, যা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্ত করার চেষ্টা চলছে।

সর্বাধিক পঠিত