এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (87)
জামায়াত চাঁদা হাদিয়া বিতর্ক: বরকত উল্লাহ বুলু বললেন জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি
Shikor Web Image (84)
মির্জা ফখরুল বিএনপি নির্বাচন বক্তব্য: জামায়াতের রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বিএনপির আছে
Shikor Web Image (81)
জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বুধবার
Shikor Web Image (78)
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা: দায়িত্বে কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
Shikor Web Image (69)
তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: আন্দালিব রহমান পার্থ

গুপ্তরা বিভ্রান্তিকর কথা ছড়াচ্ছে: তারেক রহমান

গুপ্তরা বিভ্রান্তিকর কথা ছড়াচ্ছে, বিএনপি ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে তারেক রহমানের ৭ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। জেনে নিন কীভাবে ভোটকে সুরক্ষিত ও উন্নয়নমুখী রাখা সম্ভব।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভোটের নিরাপত্তা সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও পাবনার বিভিন্ন জনসভায় জনগণকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কোনো কোনো মহল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।”

বৃহৎ জনসভায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতারা তাদের নির্বাচনী প্রার্থীদের পরিচয় দেন এবং ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করেন।

বিএনপি ভোটের নিরাপত্তা ও জনসচেতনতার গুরুত্ব

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, “আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যদি ভোটে হস্তক্ষেপ করতে চায়, তাকে প্রতিরোধ করতে হবে।” তিনি বিশেষভাবে মা-বোনদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এছাড়া ভোট কেন্দ্রের আগে এবং ভোটের দিন সক্রিয়ভাবে নজরদারি ও কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথাও বলেন।

তিনি বলেন, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো কার্যকর করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর নির্দেশনাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৭টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভোটের নিরাপত্তার জন্য

  1. ভোটকেন্দ্রে সক্রিয় উপস্থিতি: ভোটারদের কেন্দ্র পৌঁছানোর আগের দিন থেকে প্রস্তুতি নেওয়া।

  2. মুরব্বিদের সতর্ক করা: ভোটের আগে অনৈতিক কাজ প্রতিরোধে অভিজ্ঞ স্থানীয়দের সতর্ক করা।

  3. প্রার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত করা: সকল প্রার্থীকে জনসভায় পরিচয় করানো।

  4. যৌথ নজরদারি ব্যবস্থা: কেন্দ্র পাহারা দেওয়া ও অন্য এলাকা থেকে আসা ভোটার শনাক্ত করা।

  5. কৃষক ও শিল্প কর্মীদের সুরক্ষা: নির্বাচনের সময় কৃষক ও স্থানীয় শিল্পীদের স্বার্থ রক্ষা করা।

  6. ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার: যুবক-যুবতীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির সম্ভাবনা তৈরি।

  7. স্থানীয় শিল্প ও হস্তশিল্প প্রচার: তাঁতশিল্প, পাটশিল্প ও স্থানীয় শাড়ি শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি।

উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও কর্মসংস্থান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে শিল্প স্থাপন, আনারস প্রক্রিয়াজাতকরণ, ব্যারাজ নির্মাণ ও পাটশিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা যদি পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করি, তাহলে বাংলাদেশের শাড়ি ও টুপি বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হব।”

এছাড়া, কৃষকদের জন্য সার, কীটনাশক ও বীজ সরাসরি বিতরণ করা হবে, মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে নয়। নির্বাচন জয়ের পর দ্রুত এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

ভোটের দিন সতর্ক থাকার নির্দেশনা

  • সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো।

  • ভোটারদের নামের সঙ্গে মিল রেখে ভোট দেওয়া নিশ্চিত করা।

  • কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ ও অন্য এলাকা থেকে আসা ভোটার শনাক্ত করা।

তারেক রহমানের এই পদক্ষেপগুলো বিএনপি ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেরও ভিত্তি তৈরি করবে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “দেশের মানুষ জানতে চায় কোন রাজনৈতিক দল তাদের জন্য কী পরিকল্পনা নিয়েছে। বিএনপি একমাত্র দল, যাদের অভিজ্ঞতা আছে দেশ সুন্দরভাবে সামনের দিকে পরিচালনা করার। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।”

তিনি ভোটারদের অনুরোধ করেন, ১২ তারিখে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করে দেশ গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করতে।

সর্বাধিক পঠিত