অস্ট্রেলিয়া ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ২–০ ব্যবধানে লিড নেয়।অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত জয় এর মধ্য দিয়ে স্বাগতিক দল দেখিয়েছে, তারা সিরিজের শুরুর দিন থেকেই কতটা শক্তিশালী এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলের উপর কতটা প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া এই জয় অর্জনের পথে একটি মাত্র ৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ তার অভিজ্ঞতা এবং শক্তিশালী ব্যাটিং দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। যদিও এই সময়ে অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেট হারায়, তবুও অভিজ্ঞতা এবং কৌশল তাদের জয়ের পথ সুগম করে।
চমকপ্রদ পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়ার প্রাধান্য
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের প্রায় সবটিকেই সমস্যায় ফেলে। জো রুট ও জ্যাক ক্রলি ব্যতীত অন্য সকল ব্যাটার পার্থ টেস্টের মতোই আউট হন। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা দক্ষতার সঙ্গে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে চাপে ফেলে।
অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া এই দাপটের মধ্য দিয়ে দেখিয়েছে, কিভাবে বোলিং ও ফিল্ডিং একসাথে মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ রান আউট এবং প্রতিটি ক্যাচ ধরে রাখার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করেছে।

অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত জয় এর বিস্তারিত রিপোর্ট এখানে পড়ুন
ইংল্যান্ডের হতাশাজনক পারফরম্যান্স
অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া যদিও শুরু থেকেই এগিয়ে থাকে, ইংল্যান্ডের পক্ষেও কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল। অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং অলরাউন্ডার জ্যাকস দলের চাপে থাকা অবস্থায় সামলানোর চেষ্টা করেন। তবে প্রথম ইনিংসে ৫১১ রানের লিডে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের দল শেষ পর্যন্ত চাপে পড়ে এবং চতুর্থ দিনে সহজে হার মেনে নেয়।
চতুর্থ দিনের টার্গেট তাড়া এবং স্মিথের অবদান
৬৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ৩৭ রানেই দুই উইকেট হারায়। এরপর স্টিভ স্মিথ এবং জেক ওয়েদারাল্ড দলের জয় নিশ্চিত করেন। স্মিথ ২৩ এবং ওয়েদারাল্ড ১৭ রান অপরাজিত থাকেন। এই দৃঢ় মনোবলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেয়।
ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক, যিনি দুই ইনিংসেই ৮ উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া দুই টেস্টে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় পরবর্তী ম্যাচে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার শক্তি এবং ইংল্যান্ডের পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ একত্রে ফুটে উঠবে। এই সিরিজ অব্যাহত থাকায় সমালোচকরা অস্ট্রেলিয়াকে সুস্পষ্ট প্রিয় মনে করছেন।




