সংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস-জাইমাসহ আরো রয়েছেন যারা, সংবিধান অনুযায়ী ঐতিহাসিক প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বরা। সদ্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানসহ বিভিন্ন শীর্ষ ব্যক্তিকে দর্শক গ্যালারিতে দেখা যায়।
সংসদ ভবনে সকাল থেকেই তাদের আগমন লক্ষ্য করা যায়। অধিবেশন শুরুর পর ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতিত্বে সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
গুরুত্বপূর্ণ অতিথিদের উপস্থিতি
দর্শক গ্যালারিতে কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নয়, দেশের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা ও উপস্থিত ছিলেন। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানদেরও দেখা যায়। এই অধিবেশনে সরকারদলীয় ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।

প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়া গেছে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট থেকে।
অধিবেশনের আয়োজন ও সময়সূচি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রকাশিত হয়। নতুন সংসদ সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করতে হয়। সেই অনুযায়ী আজ অনুষ্ঠিত হলো নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গুরুত্বপূর্ণ অতিথি
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন, তিনি আধিকারিকভাবে প্রথমবারের মতো সংসদের দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত হন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এই প্রথম অধিবেশনকে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা “ঐতিহাসিক” হিসেবে বর্ণনা করছেন, কারণ এটি দেশের গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রথম সম্পূর্ণভাবে নির্বাচিত সংসদের কার্যক্রম শুরু।
সরকার ও বিরোধীর বক্তব্য
প্রথম অধিবেশনে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এতে সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়, পাশাপাশি বিরোধীদলীয় সদস্যরাও অংশ নেন। অধিবেশনে দেশের রাজনীতি ও সামরিক সমন্বয়ের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।




