এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design (15)
ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা নেই তেহরানের চুক্তির বিষয়ে আন্তরিক হলেই আলোচনা: আরাগচি
Untitled design (12)
শ্রম আইন লঙ্ঘন ৭২০০ ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করল সৌদি আরব
Untitled design (9)
বেলারুশ থেকে ন্যাটো দেশগুলোতে হামলার পরিকল্পনা: জেলেনস্কি
Untitled design (21)
সৌদি আরবও কি গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছিল
Untitled design (18)
রেকর্ড গতিতে কমছে তেলের মজুদ

মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য রাশিদা ও ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য রাশিদা ও ইলহানকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের। বিস্তারিত বিশ্লেষণ শিখর টিভিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ক্যাপিটল হিল, ওয়াশিংটন-এ বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেন এবং একই সময় দুই মুসলিম কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিবইলহান ওমরকে দ্রুত তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠানোর দাবি জানান। ট্রাম্পের দাবি আসে তখন, যখন ওই দুই সদস্য তাঁর ভাষণের সময় প্রতিবাদ ও চিৎকার করছিলেন। এই তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, ‘মানুষ যখন এমন আচরণ করতে পারে এবং জানা যায় যে তারা নীতিহীন ও দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর; তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া উচিত—যত দ্রুত সম্ভব।’

যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম কংগ্রেস সদস্যদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের দাবির প্রেক্ষাপট

ইলহান ওমর জন্মেছেন সোমালিয়ায়, তবে তিনি গত তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিব জন্মেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েট-এ। অর্থাৎ, উভয়ই জন্মসূত্রে বা দীর্ঘকাল ধরে মার্কিন নাগরিক, এবং তাই তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠানোর কোনো আইনগত সুযোগ নেই।

গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণের সময় এই দুই নারী বারবার তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। তারা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির প্রতি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’ হাউস চেম্বার থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঠিক আগে এ প্রতিবাদ প্রকাশিত হয়।

ট্রাম্প রাশিদা ও ইলহান বিতর্কে প্রতিক্রিয়া

রাশিদা তালিব ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম নারী প্রতিবাদ করছেন ও তাঁর ভুল সংশোধন করছে—এটি ট্রাম্প সহ্য করতে পারছেন না। তাই এখন তিনি মেজাজ হারাচ্ছেন। #প্রেসিডেন্টমজনুন।’ এখানে ব্যবহৃত ‘মজনুন’ শব্দটির অর্থ হলো ‘পাগল’।

ট্রাম্প একই বার্তায় তাঁর কড়া সমালোচক ও দুবারের অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোকেও আক্রমণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ডি নিরো একজন ‘অসুস্থ ও উন্মাদ ব্যক্তি; যাঁর আইকিউ অত্যন্ত কম। তিনি কী করছেন বা বলছেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা নেই।’

ট্রাম্প রাশিদা ও ইলহান বিতর্ক: সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম কংগ্রেস সদস্যদের নীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুনভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যের পরে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Reuters এ খবরটি ব্যাপকভাবে কভার করেছে।

ট্রাম্প রাশিদা ও ইলহান বিতর্ক: আইনি সীমাবদ্ধতা

আইনগতভাবে ইলহান ও রাশিদাকে তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠানো সম্ভব নয়। তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, তাই তাদের ওপর এমন কোনো সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য নয়।

ট্রাম্পের ভাষণ ও কংগ্রেসে দুই মুসলিম সদস্যের প্রতিবাদ

গত মঙ্গলবারের ভাষণে, দুই মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য বারবার ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে চিৎকার করেন। তাদের বক্তব্য ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে।

ট্রাম্প রাশিদা ও ইলহান বিতর্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া

রাশিদা তালিব লিখেছেন, তিনি এবং ইলহান ভুল সংশোধন করছে, যা ট্রাম্প সহ্য করতে পারছেন না। এই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত