স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় সারজিস-হান্নানের নেতৃত্বে এনসিপির কমিটি, জাতীয় নাগরিক পার্টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি গঠন করেছে ৬ সদস্য নিয়ে, নেতৃত্বে সারজিস আলম ও আবদুল হান্নান মাসউদ।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি গঠন করেছে। দলের একটি বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।
কমিটি গঠনের বিষয়ে দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা বলেন, “দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”
কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্য তালিকা
৬ সদস্যের এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি-তে চারজনকে সদস্য করা হয়েছে। তারা হলেন:
-
এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব
-
আলাউদ্দিন মোহাম্মদ
-
তাহসীন রিয়াজ
-
মঞ্জিলা ঝুমা
কমিটির সকল কার্যক্রমে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, সব বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলার নেতারা সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কমিটির লক্ষ্য ও দায়িত্ব
এনসিপি জানায়, কমিটির প্রধান লক্ষ্য হলো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। যদিও এখনও নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবু দল নির্বাচনী কার্যক্রমকে গতিশীল ও পরিকল্পিত করার জন্য কমিটি গঠন করেছে।
সারজিস আলম বলেন, “আমরা নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও ফলপ্রসূ করতে চাই। কমিটি দলের সমস্ত শক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং জেলা নেতারা আমাদের পাশে থাকবেন।”
এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভোট প্রস্তুতির প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এনসিপি তার কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব বাড়াতে চাইছে।
আরেকটি দিক হলো, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে এই ধরনের কমিটি রাজনৈতিক সংগঠনকে প্রস্তুত রাখে এবং নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে সাহায্য করে।




