এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (39)
বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা বঙ্গভূষণ পরমব্রত
Shikor Web Image (36)
১৪ বোতল মদসহ আটকের ঘটনায় মুখ খুললেন মেহজাবীন
Shikor Web Image (69)
শিল্পীদের রাজনৈতিক বলয়ে টেনে আনা বন্ধ হোক: ববিতা
Shikor Web Image (65)
আল্লাহ আপনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত রাখুন : কনকচাঁপা
Shikor Web Image (60)
শাহরুখকে নিজের চেয়েও ‘বড় অভিনেতা’ বললেন জেসন মোমোয়া

আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি লাগেজও আটকানো হয়নি: মেহজাবীন চৌধুরী

আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি লাগেজও আটকানো হয়নি, মেহজাবীন বিমানবন্দর অভিযোগ বিষয়ে স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ক্লিকবেইট।

ঢাকা: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে আসা মেহজাবীন চৌধুরী বলেছেন, মেহজাবীন বিমানবন্দর অভিযোগ নিয়ে তার সঙ্গে কোনো সত্যতা নেই। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাকে কখনো বিমানবন্দরে থামানো হয়নি এবং কোনো লাগেজও আটকানো হয়নি।

গত বছরের আগস্টে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁর লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বামী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। অভিযোগে বলা হয়, লাগেজে মদ পাওয়ার পরও বিষয়টি প্রকাশ না করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁদের ছাড়ে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার মুখে পড়েন মেহজাবীন।

মেহজাবীন দাবি করলেন অভিযোগ ভিত্তিহীন

অভিনেত্রীর ভাষ্য, “আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি, আমার কোনো লাগেজও আটকানো হয়নি। এমনকি লাগেজে অভিযোগে উল্লিখিত কোনো বস্তু পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।” তিনি আরও জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।

পোস্টে তিনি লিখেছেন:

“উল্লিখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সে রকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনোরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।”

প্রমাণ ছাড়া ক্লিকবেইট সংবাদে উদ্বেগ

মেহজাবীন আরও প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বা তাঁর লাগেজ থেকে কোনো অবৈধ কিছু উদ্ধার হয়েছে—এমন কোনো ছবি, ভিডিও বা প্রমাণ কি আছে? অভিনেত্রী জানান, প্রমাণ ছাড়াই তাঁর ছবি ব্যবহার করে ক্লিকবেইট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর মতে, এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মানহানি খুবই উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে।”

আইনি পদক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি

অভিনেত্রী উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক মানহানিকর প্রচারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর আগে গত রবিবারও এক পোস্টে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, সম্প্রতি বিভিন্নভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। এমনকি একটি মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হলেও আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন, মেহজাবীন বিমানবন্দর অভিযোগ নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে, তা সঠিক নয় এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সংবাদ বিশ্লেষণ: মিডিয়া ও সামাজিক প্রচারণার প্রভাব

মেহজাবীনের এই ঘটনা প্রমাণ করে যে মিডিয়া রিপোর্ট এবং সামাজিক প্রচারণা কত দ্রুত একজন পরিচিত ব্যক্তির সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ ধরনের ক্লিকবেইট সংবাদকে ‘মানহানিকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা প্রমাণের অভাবে মানুষের প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।

মেহজাবীনের স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর লাগেজে কোনো অবৈধ বস্তু পাওয়া যায়নি এবং বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি, তাই মেহজাবীন বিমানবন্দর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত