এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণে আলোচনা
News Photocard (30)
১৮ মাস পর নিঝুম হত্যার রহস্য উন্মোচন–দাবি পুলিশের
News Photocard (27)
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি
News Photocard (21)
চাকরি পেতে নেতার ফোন কেন, প্রশ্ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
News Photocard (12)
বিদ্যুৎ খাতে লোকসান ছাড়াতে পারে ৬০ হাজার কোটি টাকা

প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, জ্বালানিমন্ত্রীর প্রচেষ্টা: বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ কমেছে লোডশেডিং

প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, জ্বালানিমন্ত্রীর প্রচেষ্টা, গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং কমেছে। ৩০ কূপের কাজ শেষসহ ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন বাড়াতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা এগোচ্ছে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতি নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববারের বক্তব্যে তিনি জানান, শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে এবং নতুন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে বড় সমস্যা থাকবে না। একই সময়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি ও পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের লোডশেডিং কমার পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহও বেড়েছে।

গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় কমেছে লোডশেডিং

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ১১টায় সারা দেশে লোডশেডিং ছিল মাত্র ৭২ মেগাওয়াট। দুপুর ২টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৪ মেগাওয়াটে।

সকাল ১১টার দিকে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৪৫২ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ৩৮০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ওই সময়ে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান ছিল তুলনামূলকভাবে কম।

দুপুর ২টায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ১৭ মেগাওয়াট। তখন সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ৯২৬ মেগাওয়াট।

এর আগের দিন শনিবার ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৫৬৮ মেগাওয়াট। সোর্স প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এর মাত্র ১০ দিন আগেও দিনের বিভিন্ন সময়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছিল। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহও বেড়েছে

বিদ্যুতের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহেও উন্নতি হয়েছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুপুর ২টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল দুই হাজার ৬১৯ মিলিয়ন ঘনফুট।

এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে এক হাজার ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের সময় দুই সপ্তাহ আগেও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ প্রায় দুই হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল।

সরবরাহ কমে যাওয়ায় তখন শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে সংকট তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় সেই পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে স্বস্তি ফিরছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার প্রকাশিত তথ্যেও এলএনজি সরবরাহের ওঠানামার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে সাময়িক ঘাটতির নজির রয়েছে।

সংকট মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক উদ্যোগ

জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারের কর্মপরিকল্পনায় একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোর্স প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় উচ্চমূল্যে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

একই সঙ্গে শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে ছয় হাজার কোটি টাকা সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ফার্নেস অয়েল কেনা হচ্ছে। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বর্তমানে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে বলে সোর্সে জানানো হয়েছে।

এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে সেই গ্যাস শিল্প খাতে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। অর্থাৎ একই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখা এবং শিল্পে গ্যাসের চাপ কমানোর চেষ্টা চলছে।

মন্ত্রীর বক্তব্যে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে। ভবিষ্যতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা থাকবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ কারণে বিকল্প উৎস খুঁজতে সময় লেগেছে। এর মধ্যে জ্বালানি কেনার পরও ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে তা দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে জ্বালানি সঠিকভাবে দেশে আসছে এবং সরবরাহের সময়সূচিও ঠিক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সরবরাহে বিঘ্ন ও দুর্ঘটনার কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও এখন আমদানি ও সরবরাহের পরিস্থিতি আগের তুলনায় স্বাভাবিক হয়েছে। মন্ত্রীর এই বক্তব্য অন্য সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদনেও প্রকাশিত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের কষ্ট কমাতে সরকার বিকল্প উৎস খুঁজেছে এবং বেশি দাম দিয়ে গ্যাস আমদানি করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কাজের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে জোর

বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ হলো দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো।

পেট্রোবাংলার ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। লক্ষ্য হলো পুরোনো গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসের উৎস খুঁজে বের করা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৫০টি কূপের কর্মসূচি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দৈনিক প্রায় এক হাজার ৪০১ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে ৩০টি কূপের কাজ শেষ হয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানিয়েছেন, ১৫০টি কূপের কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন গ্যাসের সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চলছে। সম্ভাবনাময় কাঠামো শনাক্ত করতে সাইসমিক জরিপ এবং এরপর অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর এই কৌশল পেট্রোবাংলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংস্থাটির প্রকাশিত নথিতে বাড়তি চাহিদা মোকাবেলায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচির কথা উল্লেখ রয়েছে।

বিকল্প উৎসের দিকেও নজর

দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোলার গ্যাস সিএনজি আকারে এনে শিল্প খাতে সরবরাহের উদ্যোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি এবং মালয়েশিয়া থেকে আইএসও পদ্ধতিতে গ্যাস আনার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো একটি নির্দিষ্ট উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিকল্প তৈরি করা।

২০৩০ সালের লক্ষ্য সামনে রেখে পরিকল্পনা

সরকারের গৃহীত কর্মপরিকল্পনাকে তিন ভাগে দেখা হচ্ছে—তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি।

তাৎক্ষণিক পর্যায়ে বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মধ্যমেয়াদি পর্যায়ে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসের সন্ধানেও অনুসন্ধান চলছে।

দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য হলো দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে ব্যয়বহুল আমদানিনির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানো। একই সঙ্গে শিল্প উৎপাদন সচল রাখা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থিতিশীলতা তৈরি করাও পরিকল্পনার অংশ।

উন্নতির পাশাপাশি বাড়ছে আর্থিক চাপ

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এর আর্থিক ব্যয় কম নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং এলএনজি সরবরাহ সংকটের কারণে বেশি দামে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি বিক্রি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর লোকসান ও ভর্তুকির চাপ বাড়ছে।

সোর্স প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত সাড়ে ছয় মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসান হয়েছে ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পরও ডিজেলে বড় ধরনের লোকসান হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অর্থাৎ গ্যাস সরবরাহ ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির সঙ্গে অর্থনৈতিক ব্যয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংকট মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ব্যয় কীভাবে কমানো যায়, সেটিও জ্বালানি ব্যবস্থাপনার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে থাকছে।

সামনে টেকসই সরবরাহের চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় বিদ্যুতের লোডশেডিংও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জাতীয় গ্রিডে এলএনজির সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনাও এগোচ্ছে।

তবে মন্ত্রী নিজেই ভবিষ্যৎ সরবরাহ পরিস্থিতির ক্ষেত্রে নতুন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থার স্থায়িত্ব শুধু বর্তমান আমদানি পরিস্থিতির ওপর নয়, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস তৈরি এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতার ওপরও নির্ভর করবে।

বর্তমান কর্মপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য তাই শুধু তাৎক্ষণিক সংকট সামাল দেওয়া নয়। ১৫০টি কূপের কর্মসূচি, নতুন গ্যাস অনুসন্ধান, বিকল্প আমদানি উৎস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ব্যবহারে ভারসাম্য তৈরির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

সর্বাধিক পঠিত