এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design (15)
ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা নেই তেহরানের চুক্তির বিষয়ে আন্তরিক হলেই আলোচনা: আরাগচি
Untitled design (12)
শ্রম আইন লঙ্ঘন ৭২০০ ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করল সৌদি আরব
Untitled design (9)
বেলারুশ থেকে ন্যাটো দেশগুলোতে হামলার পরিকল্পনা: জেলেনস্কি
Untitled design (21)
সৌদি আরবও কি গোপনে ইরানে হামলা চালিয়েছিল
Untitled design (18)
রেকর্ড গতিতে কমছে তেলের মজুদ

গাজায় ইসরায়েলি হামলা: ৮২ শিশু নিহত

গাজায় ইসরায়েলি হামলা শিশু নিহত নিয়ে ইউনিসেফের রিপোর্ট প্রকাশ। ৮২ শিশুর মৃত্যু, সহিংসতা ও মানবিক সংকটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

ইসরায়েলি হামলার পরও গাজায় শিশুদের প্রাণহানির খবর থামছে না। অক্টোবর মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে অন্তত ৮২ শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। এই পরিস্থিতিকে সংস্থা “ভয়াবহ সহিংসতার ধারাবাহিকতা” হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ইউনিসেফের উদ্বেগ ও শিশুদের নিরাপত্তা

জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস বলেন, “ইউনিসেফের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় অন্তত ৮২ শিশু নিহত হয়েছে। এটি আবারও এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে, যা অবশ্যই বন্ধ হওয়া দরকার।”

গাজার মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত ৩৮৬ জন নিহত এবং ৯৮০ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন নারী, ৩০ জন শিশু এবং বহু আহতের ঘটনা রয়েছে।

গাজার মানবিক সংকট ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার সবগুলোই তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর আশপাশে সংঘটিত হয়েছে। এই হামলায় অন্তত ১২১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইসরায়েল এখনও ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে, যা চুক্তির মানবিক প্রোটোকল লঙ্ঘনের শামিল। ফলে, শিশু এবং সাধারণ মানুষদের জন্য খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরবরাহ প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। একই সময়ে আহত হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষ। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও এই প্রাণহানি ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবিক সহায়তা

ইউনিসেফ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বারবার সতর্ক করেছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সহিংসতা কমানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে চাপ বাড়ানো হচ্ছে যাতে ত্রাণবাহী ট্রাক দ্রুত গাজার ভিতরে প্রবেশ করতে পারে।

কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত

১. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ।
২. ত্রাণসামগ্রী দ্রুত পৌঁছে দেওয়া।
৩. শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
৪. সহিংসতা বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়ানো।

গাজায় শিশুদের প্রাণহানি শুধু স্থানীয় নয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণ। তাই এখনই সময় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের।

সর্বাধিক পঠিত