প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সভা অনুষ্ঠিত হলো, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পথে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সভা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সভা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। সভায় মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।
এই সভা মূলত সরকারের প্রথম কার্যদিবসের অভিজ্ঞতা আলোচনা এবং চলমান বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ে সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ সভার প্রধান আলোচ্যসূচি

সভায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারি কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি, নতুন প্রকল্প ও নীতি নির্ধারণের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলা অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ সম্পর্কেও আজকের সভায় পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা হয়।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন করবেন। ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এবার মেলা আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম স্বাগত বক্তব্য দেবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
এই মেলাটি কেবল সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি ও বহুমাত্রিক সংস্কৃতির প্রদর্শনীর ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারের প্রথম সপ্তাহের মূল্যায়ন
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ সভা সরকারের প্রথম সপ্তাহের কর্মপরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা এবং পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
শুরু থেকেই সরকারের নীতি এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল। বিশেষত বইমেলা ২০২৬-এর মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালনা করা হবে।
এ ধরনের মন্ত্রিপরিষদ সভা সরকারের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং সাংস্কৃতিক উদ্যোগের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃঢ় সম্পর্কের একটি প্রতিফলন। এতে বোঝা যায় যে সরকার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।




