এইমাত্র

আরও খবর

Website Feature Image (5)
ভারতের উপকূলে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, সরানো হচ্ছে হাজারো মানুষ
Website Feature Image (3)
কেন আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ আনলেন নেতানিয়াহু
Website Feature Image
ভোটে অমীমাংসিত ফলাফল: ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে নেতানিয়াহু
Website Feature Image (33)
অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকটে ট্রাম্প
Website Feature Image (8)
ইসরায়েল সবেমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভোট দিয়েছে, তবে চূড়ান্ত ফলাফল স্পষ্ট হতে সময় লাগবে

ইসরায়েলের পার্লামেন্টে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

ইসরায়েলের পার্লামেন্টে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইতিহাস রচনা করলেন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রীয় সফরে ইসরায়েল পৌঁছে দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দেন এবং সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘স্পিকার অফ দ্য নেসেট মেডেল’-এ ভূষিত হন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এই পদক তাকে দেওয়া হয় ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে দৃঢ় কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলায় অবদানের জন্য। নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা সংসদে ভাষণ দেওয়ার পর সরাসরি মোদির হাতে এই সম্মান তুলে দেন।

এই পদক প্রদানের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা ইতিহাসে প্রথমবার কোনো বিশ্বনেতাকে দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন—উভয় দেশ থেকেই সর্বোচ্চ সম্মান অর্জনকারী একমাত্র নেতা হিসেবে নাম লেখালেন।

মোদির ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সম্মাননা

২০১৮ সালে নরেন্দ্র মোদি ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ লাভ করেন। এটি বিশেষভাবে বিদেশি নেতাদের জন্য প্রবর্তিত পদক। এরপর নয় বছর পরে ইসরায়েলে প্রথম সফরের সময় তিনি আবারও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মাননার রেকর্ড স্থাপন করলেন।

এই দুই সম্মাননা দেখাচ্ছে যে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি।

নরেন্দ্র মোদি এবং ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক

গত নয় বছরে এটি নরেন্দ্র মোদি’র প্রথম ইসরায়েল সফর। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তার প্রথম সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়। এর ফলে রণকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুরু হয়।

নেসেটে ভাষণে স্পিকার আমির ওহানা উল্লেখ করেন, “ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক গত কয়েক বছরে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির অবদান এই সম্পর্ককে শক্তিশালী ও স্থায়ী করেছে।”

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও কূটনৈতিক গুরুত্ব

বিশ্বরাজনীতিতে নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি কেবল ভারতের কূটনৈতিক প্রভাবকে বৃদ্ধি করেনি, বরং মধ্যপ্রাচ্যে ভারতে ইতিবাচক ভাবমূর্তিও তৈরি করেছে।

এই সফরের মাধ্যমে ইসরায়েল ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন খাতের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার পথ আরও সুগম হয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন চুক্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

 নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর সম্মাননা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থানকে দৃঢ় করছে। এটি ভারতের জন্য কেবল মর্যাদা বৃদ্ধি নয়, বরং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নীতি শক্তিশালী করার সুযোগও তৈরি করেছে।

এই সফর এবং সম্মাননার মাধ্যমে বিশ্ব নেতৃত্বের মঞ্চে নরেন্দ্র মোদি’র অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এটি ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত