এইমাত্র

আরও খবর

Shikor Web Image (38)
নেত্রকোনায় অবৈধ ডিজেল জব্দ: ৩ হাজার ১০০ লিটার ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
Shikor Web Image (32)
টাইম ম্যাগাজিনে প্রধানমন্ত্রীর স্থান পাওয়া দেশের জন্য গৌরবের: মাহদী আমিন
Shikor Web Image (29)
আগামীকাল হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: তারেক রহমান
Shikor Web Image (20)
সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে প্রশ্নের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
Shikor Web Image (18)
আগামী দুই মাসেও দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট হবে না: যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী

রাজধানীতে গণমিছিলসহ ১১ দলীয় জোটের তিন দিনের কর্মসূচি

রাজধানীতে গণমিছিলসহ ১১ দলীয় জোটের তিন দিনের কর্মসূচি —১৮ এপ্রিল ঢাকায় শুরু, পরে সারাদেশে বিস্তার। বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদন থেকে।

১১ দলীয় জোটের গণমিছিল কর্মসূচি ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আগামী ১৮ এপ্রিল গণমিছিলের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে গণভোটে প্রাপ্ত গণরায়ের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা।

১১ দলীয় জোটের গণমিছিল কর্মসূচি: কী কী থাকছে

প্রথম ধাপ: ঢাকায় গণমিছিল

মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, আগামী ১৮ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের সব শরিক দল অংশ নেবে।

এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে একটি বড় সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় ধাপ: বিভাগীয় শহরে বিস্তার

তিনি আরও জানান, ২৫ এপ্রিল ঢাকার বাইরে দেশের সব বিভাগীয় জেলায় গণমিছিল করা হবে। এর মাধ্যমে আন্দোলনকে রাজধানী থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় ধাপ: জেলা পর্যায়ে কর্মসূচি

পরবর্তী ধাপে ২ মে দেশের সব জেলায় গণমিছিল কর্মসূচি পালন করা হবে। এর ফলে আন্দোলনটি জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত রূপ পাবে বলে জানিয়েছেন জোটের নেতারা।

আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কী

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন,
“গণভোটের মাধ্যমে যে গণরায় এসেছে, সেটির বাস্তবায়ন করাই আমাদের এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য।”

তার বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় এখনো কোনো গুণগত পরিবর্তন আসেনি। এই প্রেক্ষাপটে তারা নতুন করে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চান।

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি

মিয়া গোলাম পরওয়ার তার বক্তব্যে আরও বলেন,
“রাষ্ট্রব্যবস্থার কোনো গুণগত পরিবর্তন হয়নি। এখন প্রয়োজন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।”

তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদকে আইনে রূপান্তর করে তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

বিশ্লেষকদের মতে, ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল কর্মসূচি একটি ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখা যেতে পারে। প্রথমে রাজধানী, পরে বিভাগীয় শহর এবং শেষে জেলা পর্যায়ে কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা এই আন্দোলনকে বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দেয়।

এ ধরনের কর্মসূচি সাধারণত জনসমর্থন যাচাই এবং রাজনৈতিক অবস্থান দৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কী হতে পারে

এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে, যদি গণমিছিলগুলোতে উল্লেখযোগ্য জনসমাগম ঘটে, তাহলে তা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন নির্ভর করবে কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং জনসম্পৃক্ততার ওপর।

সর্বাধিক পঠিত