এইমাত্র

আরও খবর

Website Feature Image (17)
ইউনিক্লোর সঙ্গে বৈঠক: বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
Website Feature Image (15)
নতুন পে স্কেলে বেতন নিয়ে জটিলতা, পাচ্ছেন না অনেক চাকরিজীবী
Website Feature Image (12)
ঢাকা-টোকিওর যৌথ ঘোষণা: পাঁচ বছরে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের লক্ষ্য জাপানের
News Photocard (13)
মহানগর এক্সপ্রেসের নতুন রুট: এক ট্রেনেই কক্সবাজারে যেতে পারবে ৫ জেলার মানুষ
News Photocard (9)
ফেনীতে মাকে কুপিয়ে হত্যা, মেয়ে আটক

সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কোন পদক্ষেপ কার্যকর হবে জানালে ব্যবস্থা : সড়কমন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম দক্ষ চালক, গাড়ির ফিটনেস ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ঢাকায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বন্ধে কোন পদক্ষেপ কার্যকর হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানালে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি চালকদের আচরণ পরিবর্তন, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা এবং পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে চালকদের দক্ষতা, যানবাহনের উপযুক্ততা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা। তাঁর মতে, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কোনো একটি প্রতিষ্ঠান বা পক্ষের একার নয়। দুর্ঘটনা কমাতে সরকার, পরিবহন মালিক, শ্রমিক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মন্ত্রীর আহ্বান

শেখ রবিউল আলম বলেন, চালকদের আচরণ পরিবর্তন কিংবা গাড়ির ফিটনেস নিয়ে কথা বললে পরিবহন খাতের কিছু ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হন। কিন্তু সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চালকের দায়িত্বশীল আচরণ এবং যানবাহনের উপযুক্ত অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। এসব বিষয়ে আলোচনা বা প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের প্রস্তাবকে নেতিবাচকভাবে না দেখে সমস্যার সমাধানে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় কোন পদক্ষেপ নিলে সড়কে একটি প্রাণও ঝরবে না, তা কেউ সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে পারলে সরকার সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

তাঁর এই বক্তব্যে সড়ক নিরাপত্তার জন্য বাস্তবসম্মত প্রস্তাব ও কার্যকর উদ্যোগ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু সমস্যার কথা বললেই হবে না; সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ চিহ্নিত করা এবং তা বাস্তবায়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করাও জরুরি।

চালকদের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেসে কেন গুরুত্ব

সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্যে চালকদের আচরণ এবং যানবাহনের ফিটনেসের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন সড়কমন্ত্রী। তাঁর মতে, পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেভাবে মেজাজ হারাচ্ছেন, স্টিয়ারিংয়ে বসেও একই ধরনের আচরণ করলে দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হবে।

এ বক্তব্যে চালকদের ব্যক্তিগত আচরণ ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে সড়কের নিরাপত্তার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। সড়কে চলাচলের সময় দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখা এবং অন্যদের বক্তব্য শোনার মানসিকতা থাকা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিবহন খাতে দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজন

শেখ রবিউল আলম বলেন, সবার কথা শুনতে হবে, তা বিবেচনায় নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কেউ কারও প্রতিপক্ষ নন; বরং প্রত্যেকেরই দায়িত্ব রয়েছে।

পরিবহন খাতের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সড়ক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। চালক, মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

তবে শুধু আলোচনা বা আহ্বানেই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হবে না। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়নও গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রীর বক্তব্যে এই সম্মিলিত দায়িত্বের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

যানবাহনের ফিটনেস নিয়ে সচেতনতা

গাড়ির ফিটনেস নিয়ে আলোচনাকেও সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে কথা বললে কারও কারও মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিন্তু দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে সড়কে ঝুঁকি কমবে, তা নির্দিষ্ট করে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সরকার কার্যকর প্রস্তাব পেলে ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।

দক্ষ ও যোগ্য চালক নিশ্চিত করার ওপর জোর

সড়কে দুর্ঘটনা কমানোর জন্য দক্ষ ও যোগ্য চালক নিশ্চিত করাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন শেখ রবিউল আলম। এ বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতির দায়িত্বশীল নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পরিবহন খাতের মালিকদের সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বোঝাতে চেয়েছেন, নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি খাতসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে।

চালকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়টি সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে কী কী নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে সভায় বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রী স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে রাতারাতি পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। তারপরও নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থেকে সরকার সরে আসেনি।

তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে সরকার নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ বক্তব্যে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

সব দুর্ঘটনার দায় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নয়: মন্ত্রী

সড়কে প্রাণহানির বিষয়টি তুলে ধরার পাশাপাশি দুর্ঘটনার সংজ্ঞা ও দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রেও সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেন, প্রতিদিন আশঙ্কাজনক হারে মানুষ মারা যাচ্ছে। তবে সব দুর্ঘটনাকেই সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোনো ভ্যান উল্টে খাদে পড়ে মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ ধরনের ঘটনায় সরাসরি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপানোর দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, দুর্ঘটনার ধরন এবং সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনা করে দায় নির্ধারণ করা উচিত। সব ধরনের দুর্ঘটনাকে একই শ্রেণিতে ফেলা বা প্রতিটি ঘটনার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা সমস্যার যথাযথ মূল্যায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমানোর প্রয়োজনীয়তাও তিনি তুলে ধরেছেন। অর্থাৎ, দায় নির্ধারণের বিষয়ে সতর্কতার পাশাপাশি কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্ব পালনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

২০৩০ সালের মধ্যে হতাহত অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য

বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য তুলে ধরে সড়কমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানান তিনি। তবে নির্দিষ্ট কোন কোন পদক্ষেপ বর্তমানে বাস্তবায়িত হচ্ছে বা সেগুলোর অগ্রগতি কতটা, সে বিষয়ে বক্তব্যে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি

২০৩০ সালের লক্ষ্য সামনে রেখে সড়ক নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম। তাঁর মতে, একে অপরের ওপর দায় চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত মানুষের সংখ্যা কমানোর জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবহন খাতের বিভিন্ন পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। চালক, মালিক, শ্রমিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা এই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ বলে তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি তা বাস্তবায়ন এবং অগ্রগতি মূল্যায়নের বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। মন্ত্রীর বক্তব্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বা অগ্রগতি পরিমাপের সূচক নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর প্রস্তাব গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন মন্ত্রী।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের আলোচনা সভায় কারা ছিলেন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর, জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটরিয়ামে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বক্তব্য দেন। এ ছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রকিবুল ইসলাম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ।

পরিবহন খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ফারুক তালুকদার সোহেল, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আবদুর রহিম বক্স দুদু এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলমও সভায় বক্তব্য দেন।

সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সভায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব ও সহযোগিতার গুরুত্ব উঠে আসে।

সড়ক নিরাপত্তায় সামনে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মন্ত্রীর বক্তব্যে কয়েকটি বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চালকদের আচরণ পরিবর্তন, যানবাহনের ফিটনেসের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া, দক্ষ ও যোগ্য চালক নিশ্চিত করা এবং পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন এবং অযথা একে অপরের ওপর দায় চাপানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সরকার সড়ক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের অগ্রগতি এবং ফলাফল মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

সড়কে প্রাণহানি বন্ধে কোন ব্যবস্থা সবচেয়ে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ রবিউল আলম সরকারের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। এখন এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, চালক এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

সর্বাধিক পঠিত