বাংলাদেশে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশের নাগরিকদের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এবার সরাসরি ভোটের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন’ কার্যক্রম শুরু করেছে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে।
২০২৫ সালের এই নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের ভোট অধিকার প্রয়োগের জন্য সময়সূচি ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গুরুত্বপূর্ণ।

H2: প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের বর্তমান সংখ্যা ও সময়সীমা
২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন মোট ৩৮,৫৩৬ জন। এই সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নির্বাচনী কার্যক্রম দেশভিত্তিকভাবে সময়সূচি নির্ধারণ করেছে:
-
পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকায় নিবন্ধন ১৯ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত
-
উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে নিবন্ধন ২৩ নভেম্বর রাত ১২টা থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত
এই নিবন্ধন কার্যক্রম প্রবাসী ভোটারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের ঠিকানায় ডাকযোগে ভোটার ব্যালট পাঠানো হবে। বিস্তারিত জানতে Wikipedia–Postal Voting দেখুন।
H2: নিবন্ধনযোগ্য দেশসমূহ
‘প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন’ কার্যক্রম বর্তমানে বেশ কিছু দেশে কার্যকর। উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হল:
-
দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং
-
সৌদি আরব, মিসর, মরিশাস, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া
-
যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, চিলি, পেরু
-
জিম্বাবুয়ে, তানজানিয়া, ঘানা, কঙ্গো, ইথিওপিয়া, মরক্কো, লাইবেরিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সিয়েরা লিওন
-
তাইওয়ান
এই দেশের প্রবাসীরা সময়মতো নিবন্ধন করলে নির্বাচনে সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
H2: নিবন্ধনের পরবর্তী ধাপ ও সময়সূচি
নির্বাচন কমিশন দেশভিত্তিকভাবে প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে:
-
সৌদি প্রবাসী: ৪–৮ ডিসেম্বর
-
দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: ৯–১৩ ডিসেম্বর
-
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ: ১৪–১৮ ডিসেম্বর
-
বাংলাদেশে থাকা সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য: ১৯–২৩ ডিসেম্বর
প্রত্যেক প্রবাসীর জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচি থাকা জরুরি, যাতে ভোটের সুযোগ হারানো না হয়।
H2: ভোট প্রক্রিয়া
নিবন্ধিত প্রবাসীরা ভোটার ব্যালট ডাকযোগে পাবেন। প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ:
-
ঠিকানায় ভোটার ব্যালট পেপার প্রেরণ
-
ভোট প্রদান ও ফিরতি খামে বন্দী করা
-
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো
এই প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে প্রবাসীরা দেশের সংসদ নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
H2: প্রবাসী ভোটের লক্ষ্য ও গুরুত্ব
নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য ৫০ লাখ প্রবাসী ভোটারকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানো।
-
প্রবাসীরা ভোটে অংশগ্রহণ করলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রভাবশালী ভূমিকা রাখবেন
-
দেশের প্রতি সংযুক্তি ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে
-
ভোট প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে
আপনি বিস্তারিত জানতে পারেন Shikor TV Canada-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত আরেকটি পোস্ট থেকে।
‘প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন’ বাংলাদেশের গণতন্ত্রে প্রবাসীদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে। সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রবাসী ভোটাররা দেশের সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
প্রবাসীরা যেন ভোটের সুযোগ হারান না, তাই সময়মতো নিবন্ধন ও ভোট প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য করবে।




