এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design (18)
মির্জা আব্বাস জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন
Untitled design (6)
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কা জামায়াত আমিরের
Untitled design (3)
রাজধানীতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার: ১১০ জন আটক
Untitled design
ফারাক্কা বাঁধ মরণফাঁদে পরিণত হয়েছেঃ মির্জা ফখরুল
Untitled design (25)
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ‌‘সোলার প্ল্যান্ট’ বসানো হবেঃ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস

নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস, নদী খাল জলাশয় খনন সেল গঠিত হলো ৮ সদস্য নিয়ে,  কার্যক্রমের লক্ষ্য— নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন।

সরকার দেশের নদী, খাল ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন কার্যক্রম সমন্বয় ও ত্বরান্বিত করার জন্য নদী খাল জলাশয় খনন সেল গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেলের নেতৃত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সেলের প্রধান কাজ হলো নদী, খাল ও জলাশয় খনন কার্যক্রমের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার চলমান প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয় করা। এছাড়া খনন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সমস্যা সমাধানে দিকনির্দেশনা প্রদান ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য প্রচারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

নদী খাল জলাশয় খনন সেলের গঠন ও দায়িত্ব

নদী খাল জলাশয় খনন সেল-এর সদস্য সংখ্যা মোট ৮। সেলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:

  • ভূমি, কৃষি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ, ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।

  • স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী।

  • বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক।

  • পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, যিনি সেলের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সেলের কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক সহায়তা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নতুন সদস্য যুক্ত করার সুযোগ পাবেন।

মির্জা আব্বাসের নতুন দায়িত্বের গুরুত্ব

মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে এই সেলের সভাপতি করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে সেল দেশের নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ এবং কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে। বিশেষত, দেশের বিভিন্ন নদী ও খাল পর্যায়ক্রমে খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে জলপ্রবাহ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা হবে।

এই উদ্যোগটি সরকারের জোড়ালো প্রচেষ্টার অংশ, যা নদী ও জলাশয় সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কর্মপরিকল্পনা ও সমন্বয়

নদী খাল জলাশয় খনন সেল:

  • খনন কার্যক্রমের মান ও প্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

  • বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করবে।

  • জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারমূলক উদ্যোগ নেবে।

সেলের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক সুবিধা এবং সংস্থানাদি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সরবরাহ করবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেলের কাজ শুরু হওয়া সঙ্গে সঙ্গে আদেশ কার্যকর হবে।

বিস্তারিত জানুন নদী খাল জলাশয় খনন সেল কার্যক্রম সম্পর্কে

নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের কার্যক্রম দেশের জলবায়ু ও কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ দেশজুড়ে জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

সর্বাধিক পঠিত