আরও খবর

Untitled design (16)
সৌদিতে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের সতর্কবার্তা
Untitled design (9)
নতুন দায়িত্বে আইন, জ্বালানি ও বাণিজ্যমন্ত্রী
Untitled design (3)
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করল তিতাস
Untitled design
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
Untitled design (6)
আনভীর গ্রেফতার, কালের কণ্ঠ বন্ধ ও ক্ষমা চাওয়া সম্পর্কে যা জানা গেল

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার সুসংবাদ দিলেন মন্ত্রীঃ আরিফুল হক চৌধুরী

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার সুসংবাদ দিলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আরিফুল হক চৌধুরী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে মন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন,

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শ্রমবাজার দ্রুতই খুলে যাবে। গতকালই (সোমবার) মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে গেছে। বাকিগুলোও দ্রুত খুলবে।”

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, জাপান, কোরিয়া, ওমান, মরিশাস ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে কাজ চলছে।

তবে এসব দেশের শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় বা বিস্তারিত তথ্য তিনি জানাননি।

নতুন শ্রমবাজার তৈরিতে সরকারের উদ্যোগ

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়াতে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি জানান, বিদ্যমান শ্রমবাজারগুলোকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন নতুন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাই বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়ার বিষয়টি সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

সিলেট সার্কিট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন আরিফুল হক চৌধুরী।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের আলোচনা আরও গতিশীল ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা এবং প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিক

মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত। দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিদেশে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের চেষ্টা চলছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য হলো দক্ষ কর্মী তৈরি এবং বিদেশে নিরাপদ কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা।

এ বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুসরণ করা যেতে পারে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরও তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য, সরকারি উদ্যোগ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের আপডেট জানতে পাঠকরা নির্ভরযোগ্য সরকারি ও আন্তর্জাতিক উৎস অনুসরণ করতে পারেন।

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও অভিবাসন বিষয়ে তথ্যের জন্য International Labour Organization (ILO)-এর তথ্য অনুসরণ করা যেতে পারে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হয়েছে এবং অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির চেষ্টা চলছে।

সরকারের ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের পরিধি আরও বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এখন নতুন শ্রমবাজারের সুযোগগুলো বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর দিকে নজর থাকবে।

সর্বাধিক পঠিত