আরও খবর

News Photocard (6)
বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগে ঘুরছে অটোরিকশার চাকা
News Photocard (3)
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান
News Photocard (6)
৩৬ হাজার স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক
News Photocard (18)
মালয়েশিয়ার নথিহীন বাংলাদেশিদের নিয়ে দূতাবাসের বিশেষ নির্দেশনা
News Photocard (15)
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

দেশে জ্বর-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের রোগের ১৩% ইনফ্লুয়েঞ্জা

দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ২০ বছরের পর্যবেক্ষণে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। দেশে জ্বর-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের রোগের ১৩% ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত, ঝুঁকি বেশি কয়েকটি গোষ্ঠীর।

বাংলাদেশে দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি নিয়ে ২০ বছরের পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। জ্বর-কাশি ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের মধ্যে ১৩ শতাংশের ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্ত হয়েছে। ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা দীর্ঘ সময়ের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর উপস্থিতিও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

২০০৭ সাল থেকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) যৌথভাবে দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এ কাজে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সহযোগিতা করছে।

২০ বছরের পর্যবেক্ষণে দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার চিত্র

আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবি ১৫টি সরকারি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২০ বছর ধরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা এবং মারাত্মক তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে আসা রোগীদের পর্যবেক্ষণ করেছে।

এই পর্যবেক্ষণের আওতায় আসা হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, কক্সবাজার, জয়পুরহাট ও পটুয়াখালী জেলা হাসপাতাল। এ ছাড়া যশোর ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও এই পর্যবেক্ষণের আওতায় ছিল।

সিলেটের বেসরকারি জালালাবাদ রাগিব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও এতে যুক্ত ছিল।

গত ২০ বছরে এসব হাসপাতালে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা বা তীব্র শ্বাসজনিত সংক্রমণ নিয়ে আসা ১ লাখ ৭২ হাজার ৭৯২ জন রোগীকে পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়। প্রত্যেকের নমুনা পরীক্ষার পর দেখা যায়, ২২ হাজার ২৮৪ জনের ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ করা রোগীদের ১৩ শতাংশ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত ছিলেন।

কোন বয়সে ইনফ্লুয়েঞ্জার ঝুঁকি বেশি?

গবেষকদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশি দেখা যায়। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগটির কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জাজনিত মৃত্যু বেশি হয়েছে বলে সেমিনারে জানানো হয়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা ও শরীরে ব্যথা এ রোগের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি অথবা তাঁর সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ এবং উচ্চঝুঁকির মানুষের ক্ষেত্রে এটি গুরুতর অসুস্থতা বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম নিয়ে নতুন তথ্য

সাধারণভাবে শীতকেই ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রধান মৌসুম হিসেবে মনে করা হলেও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে।

আইসিডিডিআরবির সহযোগী বিজ্ঞানী ফাহমিদা চৌধুরী সেমিনারে ২০ বছরের তথ্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম থাকে। এর মধ্যে জুন ও জুলাই মাসে রোগটির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

অর্থাৎ দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা কেবল শীতের সঙ্গে সম্পর্কিত—এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে দীর্ঘ সময়ের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলছে, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম সাধারণত শীতকেন্দ্রিক হলেও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে এটি সারা বছরই ছড়াতে পারে এবং সংক্রমণের সময়কাল তুলনামূলকভাবে অনিয়মিত হতে পারে।

যাদের জন্য দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ

সেমিনারে গবেষকেরা পাঁচ ধরনের মানুষের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জার ঝুঁকি বেশি বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা হলেন—

  • স্বাস্থ্যকর্মী
  • গর্ভবতী নারী
  • পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু
  • একই সঙ্গে একাধিক দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
  • ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষ

এই শ্রেণির মানুষের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা আলোচনায় উঠে আসে।

এ বিষয়ে WHO-র তথ্যেও শিশু, বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী, দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের উচ্চঝুঁকির গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব

সেমিনারে ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচ ধরনের মানুষের টিকা দেওয়া বা টিকার আওতায় আনার বিষয়ে গবেষক ও আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা মত দেন।

তবে দেশের সব মানুষকে প্রতিবছর ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা দেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে বিভিন্ন মত উঠে আসে। কেউ প্রতিবছর টিকা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। আবার কেউ মনে করেন, দেশের সব মানুষকে প্রতিবছর টিকা দিতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা যুক্ত করা যৌক্তিক হবে কি না, তা নিয়েও মতভেদ রয়েছে।

ফাহমিদা চৌধুরী বলেন, ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম শুরুর এক মাস আগে টিকা দেওয়া যুক্তিযুক্ত। সেই হিসাবে মার্চ মাসকে টিকা দেওয়ার উপযুক্ত সময় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা। বিশেষ করে উচ্চঝুঁকির মানুষদের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর গুরুত্ব

আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক তাহমিদ আহমেদ বলেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে টিকার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। নিয়মিত হাত ধোয়া ও মাস্ক ব্যবহারসহ ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক আচরণ সংক্রমণ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

WHO-ও ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা, কাশি বা হাঁচির সময় মুখ-নাক ঢেকে রাখা এবং অসুস্থ অবস্থায় অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়।

বার্ড ফ্লু নিয়েও উদ্বেগ

২০ বছরের পর্যবেক্ষণে শুধু মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা নয়, এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর উপস্থিতিও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

সেমিনারে গবেষকেরা বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি, নজরদারি এবং রোগ পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই নজরদারি ব্যবস্থা বৈশ্বিক রোগ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, এভিয়েন ও অন্যান্য প্রাণীজ ইনফ্লুয়েঞ্জার ক্ষেত্রে প্রাণী ও মানুষের মধ্যে নজরদারি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সংক্রমণের ঘটনা তদন্ত করা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতার আহ্বান

সেমিনারের সভাপতি ও আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন হাবিব হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এড়িয়ে চলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

২০ বছরের নজরদারি কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে ইনফ্লুয়েঞ্জার তথ্য সংগ্রহের ফলে রোগটির প্রকোপ, বয়সভিত্তিক ঝুঁকি এবং মৌসুমি প্রবণতা সম্পর্কে একটি বিস্তৃত চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। ১ লাখ ৭২ হাজার ৭৯২ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষার তথ্য এই পর্যবেক্ষণের বড় ভিত্তি।

আইইডিসিআরের সহযোগী অধ্যাপক মোনালিসা সেমিনারে জানান, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জায় ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৮০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ২০১১-১২ সালে দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জায় ১৬ হাজার ৮০৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইনফ্লুয়েঞ্জা দেশের অর্থনীতির জন্যও একটি বোঝা।

তিনি আরও জানান, বিশ্বে ১৩৮টি দেশে ১৫৭টি ন্যাশনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে আইইডিসিআর একটি।

বৈশ্বিক নজরদারিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

সেমিনারে তাহমিদ আহমেদ বলেন, আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআরবির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইনফ্লুয়েঞ্জা পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি ব্যবস্থা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, এই উদ্যোগ বৈশ্বিক রোগ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাকে সহায়তা করছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি রেসপন্স বিভাগের মহাপরিচালক সৈয়দা জেসমিন সুলতানা, যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসির ঢাকার কর্মকর্তা মনোয়ার মোর্শেদ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার আইরিন ইসিবুর বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশে দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ২০ বছরের পর্যবেক্ষণে রোগটির বিস্তার ও মৌসুমি প্রবণতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। পর্যবেক্ষণে থাকা রোগীদের ১৩ শতাংশের ইনফ্লুয়েঞ্জা শনাক্ত হওয়া এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি বেশি থাকার তথ্য বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে।

একই সঙ্গে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরকে ইনফ্লুয়েঞ্জার মৌসুম হিসেবে চিহ্নিত করা এবং জুন-জুলাইয়ে সংক্রমণ বেশি হওয়ার তথ্যও জনস্বাস্থ্য পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকেরা টিকা, স্বাস্থ্যবিধি, নজরদারি এবং অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিশ বছরের এই ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা মোকাবিলায় রোগ নজরদারি ও জনস্বাস্থ্য পরিকল্পনাকে আরও তথ্যভিত্তিক করতে সহায়ক হতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত