আরও খবর

News Photocard (3)
ভারত-বাংলাদেশ ট্রেন পরিষেবা ফের চালুর উদ্যোগ, ঢাকায় শুরু হচ্ছে বৈঠক
News Photocard
অ্যামাজনে বিধ্বস্ত বিমানটি যেভাবে রূপান্তরিত হয়েছিল কার্গোতে
News Photocard (24)
‘ওরা বাবাকে মেরে ফেলতে চাইছে’—ইমরান খানের ছেলের শঙ্কা
News Photocard (21)
চীনে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের সম্ভাবনা, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক নিয়েও আলোচনা
News Photocard (18)
মালয়েশিয়ার নথিহীন বাংলাদেশিদের নিয়ে দূতাবাসের বিশেষ নির্দেশনা

যুক্তরাজ্যে ফিরলেও রাজকীয় দায়িত্ব পাচ্ছেন না হ্যারি-মেগান

যুক্তরাজ্যে ফিরলেও রাজকীয় দায়িত্ব পাচ্ছেন না হ্যারি-মেগান, সিদ্ধান্ত জানালেন রাজা চার্লস। যুক্তরাজ্যে ফিরলেও দম্পতি আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না।

যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সরকার ও সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ব্রিটেনের রাজা চার্লস এ বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে হ্যারি ও মেগান সাধারণ নাগরিকদের মতো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভোগ করছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে যুক্ত না থাকলেও হ্যারি ও মেগানের বর্তমান রাজকীয় খেতাব বা মর্যাদায় কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। একই সঙ্গে তাদের দাতব্য ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবেই পরিচালিত হবে।

হ্যারি-মেগানের রাজকীয় দায়িত্ব নিয়ে চার্লসের অবস্থান

রাজা চার্লসের পাঠানো চিঠিতে মূলত হ্যারি ও মেগানের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। তারা যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে রাজকীয় দায়িত্ব পালন করবেন না।

২০২০ সালে হ্যারি ও মেগান রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তারা স্বাধীনভাবে জীবনযাপন এবং অর্থ উপার্জনের পথ বেছে নেন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় তাদের বর্তমান অবস্থানও রাজপরিবারের কর্মরত সদস্যদের থেকে আলাদা।

চার্লসের চিঠিতে এই অবস্থানকে আবারও নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পরও তাদের জন্য রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের কোনো পরিবর্তিত ব্যবস্থা করা হয়নি।

২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়েন হ্যারি-মেগান

প্রিন্স হ্যারি ও মেগান ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ত্যাগ করে যুক্তরাজ্য ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে তারা আলাদা হয়ে যান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে তারা সাধারণ নাগরিকদের মতো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভোগ করছেন। ফলে তাদের বর্তমান জীবনযাপন ও পেশাগত কর্মকাণ্ড রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।

এই অবস্থানের মধ্যেই সম্প্রতি পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে ফিরে এসেছেন হ্যারি ও মেগান। তবে দেশে ফেরার বিষয়টি তাদের রাজকীয় দায়িত্বে ফেরার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে না।

রাজকীয় খেতাব ও মর্যাদায় পরিবর্তন নেই

হ্যারি-মেগানের রাজকীয় দায়িত্ব না থাকলেও তাদের বর্তমান রাজকীয় খেতাব বা মর্যাদায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন না করলেও তাদের বিদ্যমান রাজকীয় পরিচয় বহাল থাকছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। ফলে যুক্তরাজ্যে তাদের প্রত্যাবর্তন এবং রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার বিষয় দুটি আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাজা চার্লসের চিঠির মাধ্যমে সরকার ও সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাছেও এ অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।

দাতব্য ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম থাকবে ব্যক্তিগত

হ্যারি ও মেগানের দাতব্য এবং বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হবে না। এসব কার্যক্রম তারা ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবেই পরিচালনা করবেন।

এর অর্থ, তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা পেশাগত কর্মকাণ্ড রাজপরিবারের দায়িত্ব হিসেবে গণ্য হবে না। একইভাবে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের সম্পর্কও থাকছে না।

এ অবস্থান ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ত্যাগের পর তাদের যে স্বাধীন জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত, তার সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ছয় বছর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর ব্রিটেনে প্রত্যাবর্তন

রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়ার পর হ্যারি ও মেগান যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে তারা টানা ছয় বছর বসবাস করেন। এরপর সম্প্রতি পরিবারসহ আবার যুক্তরাজ্যে ফিরে এসেছেন।

তবে তাদের প্রত্যাবর্তনের পরও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হয়নি। ৭ সেপ্টেম্বর রাজা চার্লসের চিঠি সেই অবস্থানই নিশ্চিত করেছে।

ফলে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসা সত্ত্বেও হ্যারি ও মেগানের বর্তমান ভূমিকা রাজপরিবারের কর্মরত সদস্যদের মতো হচ্ছে না।

রাজপরিবারে হ্যারি-মেগানের বর্তমান অবস্থান

বর্তমান পরিস্থিতিতে হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত রাজকীয় খেতাব বা মর্যাদা ধরে রাখছেন, কিন্তু আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করছেন না। তাদের দাতব্য ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডও ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে রাজা চার্লসের চিঠিতে তাদের অবস্থানকে সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়েছে। ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ত্যাগের পর যে অবস্থান তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক চিঠিতেও সেটিই পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।

অতএব, যুক্তরাজ্যে তাদের সাম্প্রতিক প্রত্যাবর্তনকে রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বে ফেরার সূচনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। বরং তাদের বর্তমান অবস্থান আগের মতোই বহাল থাকছে।

হ্যারি-মেগানের রাজকীয় দায়িত্ব: সামনে কী অবস্থান

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, হ্যারি ও মেগান যুক্তরাজ্যে ফিরে এলেও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করবেন না। রাজা চার্লসের ৭ সেপ্টেম্বরের চিঠি এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

একই সঙ্গে তাদের বর্তমান রাজকীয় খেতাব বা মর্যাদায় পরিবর্তন না আসার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের দাতব্য ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত হিসেবেই চলবে।

২০২০ সালে দায়িত্ব ত্যাগ, যুক্তরাষ্ট্রে ছয় বছরের বসবাস এবং সম্প্রতি পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পরও তাদের আনুষ্ঠানিক রাজকীয় ভূমিকা অপরিবর্তিত রয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের প্রত্যাবর্তন ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও রাজপরিবারের দায়িত্বে প্রত্যাবর্তন নয়।

সর্বাধিক পঠিত