ফিফা আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ, ফিফা আশিয়ান কাপে খেলার অনুমতি পেয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ ৮ দলের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাহী কমিটির সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে ফিফার কাছ থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপর বাফুফে ফিফাকে নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশ আসন্ন আশিয়ান কাপে খেলবে।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে এর আগে বাফুফে সম্মতি জানিয়েছিল। তবে টুর্নামেন্টে মাঠে নামার জন্য ফিফার অনুমোদনের অপেক্ষা ছিল। সেই অনুমোদন পাওয়ার পর এখন বাংলাদেশের সামনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পথ খুলেছে।
ফিফার অনুমতির বিষয়টি যেভাবে নিশ্চিত হলো
শনিবার বাফুফের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে গণমাধ্যমের কাছে বাংলাদেশের আশিয়ান কাপে অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন আমিরুল ইসলাম বাবু।
তিনি জানান, শুক্রবার রাতে ফিফার কাছ থেকে ইতিবাচক খবর এসেছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেছে। এরপর বাফুফে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফাকে জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ আশিয়ান কাপে খেলবে।
আমিরুল ইসলাম বাবুর বক্তব্যের সারকথা হলো, অনুমতির অপেক্ষার পর এখন অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত। ফলে টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে, শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আশিয়ান কাপ অনুষ্ঠিত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ না হলেও এবারের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল ভারতের টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানো।
গত ১৩ আগস্ট ভারত আশিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর বাংলাদেশের সামনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বাফুফের সম্মতির পর ফিফার অনুমোদনও পাওয়া গেছে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি এখন অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে।
টুর্নামেন্টে অংশ নেবে ১৪ দল
আশিয়ান কাপে মোট ১৪টি দল দুটি বিভাগে ভাগ হয়ে অংশ নেবে। বিভাগ দুটি হলো প্রিমিয়ার ডিভিশন ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশন।
প্রিমিয়ার ডিভিশনের আয়োজক দেশ ইন্দোনেশিয়া। অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের আয়োজন করবে হংকং।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ডিভিশনে খেলবে। এই বিভাগে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে রয়েছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তান। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বাংলাদেশ।
অর্থাৎ প্রিমিয়ার ডিভিশনে মোট আটটি দল অংশ নেবে। বাংলাদেশের জন্য এটি এমন একটি প্রতিযোগিতা, যেখানে একাধিক দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দলের পাশাপাশি পাকিস্তানের বিপক্ষেও খেলার সুযোগ থাকবে।
প্রিমিয়ার ডিভিশনের দলগুলো
প্রিমিয়ার ডিভিশনে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশ নেওয়া দলগুলো হলো—
- ইন্দোনেশিয়া
- থাইল্যান্ড
- ভিয়েতনাম
- ফিলিপাইন
- মালয়েশিয়া
- সিঙ্গাপুর
- পাকিস্তান
- বাংলাদেশ
উৎস তথ্যে এই দলগুলোর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের ম্যাচের নির্দিষ্ট সূচি বা প্রতিপক্ষভিত্তিক ম্যাচের তারিখ এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
বাংলাদেশের জন্য কেন অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি পাওয়ায় জাতীয় দলের সামনে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় খেলার একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলোর তালিকায় ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানের মতো দল রয়েছে।
তবে এই অংশগ্রহণকে ঘিরে কোনো অতিরিক্ত প্রত্যাশা বা ফলাফল সম্পর্কে আগাম মন্তব্য করার সুযোগ নেই। কারণ উৎস তথ্যে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ফলাফল, প্রস্তুতি, স্কোয়াড কিংবা ম্যাচভিত্তিক পরিকল্পনার বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
এখন নিশ্চিত বিষয় হলো, বাফুফে সম্মতি দিয়েছে এবং ফিফার কাছ থেকেও অংশগ্রহণের অনুমতি পাওয়া গেছে। তাই বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছে।
বাফুফের অবস্থান পরিষ্কার
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়টি সরাসরি জানানো হয়েছে। আমিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন, ফিফার কাছ থেকে ইতিবাচক খবর পাওয়ার পর বাংলাদেশ আশিয়ান কাপে খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এতে বোঝা যায়, বাফুফে শুধু অনুমতির অপেক্ষায় ছিল না; অনুমোদন পাওয়ার পর অংশগ্রহণের বিষয়টি ফিফাকেও জানিয়ে দিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এখন আর সম্ভাবনার পর্যায়ে নেই।
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে অংশগ্রহণের পরবর্তী ধাপ
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি পাওয়ার পর সামনে এখন টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী প্রস্তুতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে বাফুফের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি, খেলোয়াড় নির্বাচন বা ম্যাচ পরিকল্পনা সম্পর্কে এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
টুর্নামেন্ট শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে প্রিমিয়ার ডিভিশনে বাংলাদেশসহ আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছিল ভারতের সরে দাঁড়ানোর পর। এরপর বাফুফের সম্মতি এবং ফিফার অনুমোদন—দুই ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। তাই এখন টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের উপস্থিতি নিশ্চিত।
আশিয়ান কাপ নিয়ে সামগ্রিক চিত্র
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর একটি। একই সঙ্গে ফিফা ২০২৫ সালের অক্টোবরে জানায়, FIFA ASEAN Cup চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়নে এই প্রতিযোগিতাকে একটি আঞ্চলিক আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উৎস সংবাদে বর্ণিত এবারের আয়োজনের কাঠামো অনুযায়ী, ১৪টি দল দুটি বিভাগে অংশ নিচ্ছে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের আয়োজক ইন্দোনেশিয়া এবং চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের আয়োজক হংকং।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ডিভিশনে জায়গা পেয়েছে। ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ফিফা আশিয়ান কাপে খেলার অনুমতি পাওয়ায় জাতীয় দলের সামনে নতুন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ফিফার কাছ থেকে অনুমোদনের ইতিবাচক খবর পাওয়ার পর বাংলাদেশ অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভারত ১৩ আগস্ট নাম প্রত্যাহার করার পর বাংলাদেশের জন্য যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, ফিফার অনুমোদনের মাধ্যমে তা বাস্তব রূপ পেয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টের প্রিমিয়ার ডিভিশনে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশও অংশ নেবে।





