এইমাত্র

আরও খবর

Untitled design
নাটকীয় ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ১০ জনের ইংল্যান্ড
Untitled design (30)
গ্যালারিতে বসে আর্জেন্টিনার রুদ্ধশ্বাস জয় দেখলাম, এ যেন আনন্দ-বেদনার মহাকাব্যঃ জামাল ভূঁইয়া
Untitled design (10)
ঘানাকে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া
Untitled design (11)
ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৮ বছর পর শেষ ষোলোয় মেক্সিকো
Untitled design (8)
রোনালদোর রেকর্ড ভেঙে মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস এমবাপ্পের

ভিনি না নিয়ে কেন গিমারাইস পেনাল্টি নিলেন, ব্যাখ্যা দিলেন কোচ

ভিনি না নিয়ে কেন গিমারাইস পেনাল্টি নিলেন, ব্যাখ্যা দিলেন কোচ—বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর কোচিং স্টাফের ব্যাখ্যা জানুন বিস্তারিত।

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের ম্যাচে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে ব্রুনো গিমারাইস পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত। ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও সহকারী কোচ ডেভিড আনচেলত্তি ব্যাখ্যা দেন কেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পরিবর্তে গিমারাইসকেই স্পটকিক নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাদের মতে, ম্যাচের আগেই নির্ধারিত পেনাল্টি তালিকা অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্রাজিলের বিদায়ের ম্যাচে বদলে যেতে পারত চিত্র

ম্যাচের ১৪ মিনিটেই গোল করার বড় সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলে ম্যাচের স্কোরলাইন ২-১ না হয়ে ভিন্ন রূপ নিতে পারত।

কিন্তু নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারাইস সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। পরে নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় সেলেসাওদের। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে—ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা মাঠে থাকা সত্ত্বেও কেন গিমারাইস পেনাল্টি নিলেন?

ব্রুনো গিমারাইস পেনাল্টি নিয়ে কী বললেন আনচেলত্তি?

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কার্লো আনচেলত্তি জানান, পেনাল্টি নেওয়ার জন্য কোচিং স্টাফ আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করেছিল।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, সেই তালিকায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রথম পাঁচজনের মধ্যেও ছিলেন না। মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের মধ্যে তালিকা অনুযায়ী ব্রুনো গিমারাইসই এগিয়ে ছিলেন। তাই পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকেই স্পটকিক নিতে বলা হয়।

পেনাল্টি তালিকায় কারা ছিলেন?

ব্রাজিলের সহকারী কোচ ডেভিড আনচেলত্তি তালিকার বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী—

“আমাদের পেনাল্টি তালিকায় সবার ওপরে ছিলেন রাফিনিয়া। মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেরা ছিলেন নেইমার। এরপর ছিলেন ইগর থিয়াগো, ব্রুনো গিমারাইস এবং গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি।”

এই কারণেই গিমারাইসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। কোচিং স্টাফের বিশ্বাস ছিল, মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের মধ্যে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ছিলেন।

ভিনিসিয়ুস বল হাতে নিলেও কেন শট নেননি?

ম্যাচ চলাকালে এক পর্যায়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে বল হাতে নিতে দেখা যায়। এতে অনেকের ধারণা হয়েছিল তিনিই হয়তো পেনাল্টি নেবেন।

কিন্তু আগে থেকেই নির্ধারিত তালিকা অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত থাকায় শেষ পর্যন্ত তিনি বলটি ব্রুনো গিমারাইসের হাতে তুলে দেন। ফলে নির্ধারিত পরিকল্পনার বাইরে যাওয়া হয়নি।

ডেভিড আনচেলত্তিরও একই ব্যাখ্যা

ম্যাচ শেষে মিক্সড জোন দিয়ে বের হওয়ার সময় সহকারী কোচ ডেভিড আনচেলত্তি বলেন,

“গিমারাইস পেনাল্টি মারবে, এটা আগেই ঠিক করা ছিল। ফুটবলে পেনাল্টি মিস হতেই পারে। আজ সেটাই হয়েছে।”

তার বক্তব্যেও স্পষ্ট হয়, ম্যাচের ফলাফলের কারণে সিদ্ধান্তটি আলোচনায় এলেও কোচিং স্টাফ পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা থেকেই সরে আসেনি।

বিতর্কের কেন্দ্রে পেনাল্টি সিদ্ধান্ত

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্রুনো গিমারাইস পেনাল্টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক সমর্থক মনে করেন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো আক্রমণভাগের খেলোয়াড় স্পটকিক নিলে ফল ভিন্ন হতে পারত।

তবে কোচিং স্টাফের বক্তব্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগে প্রস্তুত করা তালিকাই ছিল সিদ্ধান্তের ভিত্তি। তাই মাঠের পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত পছন্দের পরিবর্তে পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনাই অনুসরণ করা হয়েছে।

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বিদায়ের ম্যাচে ব্রুনো গিমারাইসের পেনাল্টি মিস বড় আলোচনার জন্ম দিলেও কোচিং স্টাফ জানিয়েছে, এটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ছিল না। আগে থেকেই নির্ধারিত তালিকা অনুসারেই গিমারাইসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ফলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল হাতে নিলেও শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী গিমারাইসই স্পটকিক নেন।

সর্বাধিক পঠিত