আরও খবর

যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
গাফিলতিতে বেড়েছে হাম, কার দায় কতটা
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (3)
পাবনার ৪ মাদরাসার সবাই ফেল
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (13)
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (12)
অস্ট্রেলিয়া গমনেচ্ছুদের জন্য ঢাকাস্থ হাইকমিশনের বিশেষ সতর্কবার্তা

ফখরুলই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

ফখরুলই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী,  ১৩ আগস্ট মনোনয়ন জমার শেষ দিন, ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পথে বলে দলীয় ও সরকারি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব বা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে দুই সিদ্ধান্তের কোনোটিই এখনো দলীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি হওয়ায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। দলীয় ফোরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর দেওয়া হয়েছে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনা কেন জোরালো

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনার আলোচনা কয়েক দিন ধরেই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে চলছিল। তাঁর পাশাপাশি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খানের নামও আলোচনায় আসে।

তবে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে মির্জা ফখরুলের নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে।

গত ১ আগস্ট বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়। বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল নিজেই বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।

দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের কারণে মির্জা ফখরুলকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর পরিচিতি এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও আলোচনায় এসেছে।

মির্জা ফখরুল ২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। এরপর ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলের পর থেকে তিনি দলের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সচিবালয় ও বাসভবনে শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড়

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের সম্ভাব্য মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতি দেখা যায়।

অনেকে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। তবে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আগে হোক তারপর।’

সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন। পরে বেইলি রোডের সরকারি বাসভবনে গেলে সেখানেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড় দেখা যায়।

তবে মির্জা ফখরুল নিজে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে এই মুহূর্তে বলার মতো কিছু নেই। ১৩ আগস্টের পর দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হবে এবং এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ ফোরাম আগেই জানিয়ে দিয়েছে যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

১৩ আগস্ট মনোনয়ন জমার শেষ দিন

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৩ আগস্ট। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

এরপর ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশনকক্ষে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে রিজভীর সামনে নতুন দায়িত্ব

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নাম।

দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন রিজভী। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।

বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে রিজভীর নিয়মিত যোগাযোগ তাঁর বড় সাংগঠনিক শক্তি। দলের সংকটময় সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলেও তাঁরা মনে করেন।

এ কারণে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

বিএনপির অতীত রীতির কথাও এ ক্ষেত্রে সামনে আনা হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে দলের প্রথম যুগ্ম মহাসচিবকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার পর তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার নজির রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে রিজভী নিজেও বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা দেননি। তিনি কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ২০-২১ আগস্টের মধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে এবং দলের চেয়ারম্যানই সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর বক্তব্য, এখানে ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয় নেই; দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর সবাই আস্থাশীল।

দলীয় সিদ্ধান্তে তারেক রহমানের ওপর আস্থা

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত হওয়ায় দলের নেতারা তাঁর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, চেয়ারম্যানের ওপরই সিদ্ধান্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও বলেছেন, চেয়ারম্যান দলের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই চূড়ান্ত হবে। দলের নেতারা সেই সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল।

সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীও কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের পছন্দের প্রার্থী বলে তাঁরা মনে করছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হবে সংসদ সদস্যদের

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু হয়।

এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার হিসেবে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর সংসদ অধিবেশনকক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট প্রকাশ্য হওয়ায় কোন সংসদ সদস্য কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, সেটি গোপন থাকবে না। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জানিয়েছেন, ব্যালট পেপারে যে প্রার্থীকে ভোট দেওয়া হবে, তাঁর নামের নিচে ভোটারকে স্বাক্ষর করতে হবে।

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়ায় কোনো সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না।

জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেটকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভার পর মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি আবদুর রহমান বিশ্বাসকে প্রার্থী করেছিল। আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছিল বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে। সে সময় জামায়াতের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সেই সমর্থন থাকবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা ছিল। শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলে আবদুর রহমান বিশ্বাস বিজয়ী হন।

এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। এর মধ্যে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত দলগুলোর ভোটার প্রায় ২৫০ জন। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ভোটার ৯০ জন। বাকি ভোটার স্বতন্ত্র ও একটি দলের।

নাহিদ ইসলামের বক্তব্য

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও বক্তব্য দিয়েছেন।

জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল।

নাহিদ ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, গণভোটের রায় সংস্কারের পক্ষে আসায় সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা যেত। তাঁর মতে, এতে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আরও সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য হতে পারতেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের জন্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দিতে চায় না। এ কারণেই কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির শীর্ষ সাংগঠনিক নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। দলের বর্তমান মহাসচিবের পদটি তখন শূন্য হবে এবং সেই পদ পূরণের জন্য চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।

এই প্রেক্ষাপটে রুহুল কবীর রিজভীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি এবং রিজভী মহাসচিব—দুই বিষয়কেই আপাতত সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিএনপির বর্তমান মহাসচিব নিজেও জানিয়েছেন, ১৩ আগস্টের পর রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি পরিষ্কার হবে। অন্যদিকে রিজভী বলেছেন, ২০-২১ আগস্টের মধ্যে সাংগঠনিক নেতৃত্বের বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরবর্তী সময়সূচি

প্রকাশিত তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো হলো—

  • ১৩ আগস্ট: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা।
  • ১৬ আগস্ট: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই।
  • ১৮ আগস্ট: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়।
  • ২০ আগস্ট: সংসদ অধিবেশনকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ।

এই সময়সূচির মধ্যেই মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী কি না, সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হওয়ার কথা।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। দলীয় সূত্র, সরকারি উচ্চ পর্যায় এবং বিএনপির নেতাদের বক্তব্যে তাঁর নামের গুরুত্ব স্পষ্ট হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে পরিবর্তন আসবে। সেই সম্ভাব্য পরিবর্তনে রুহুল কবীর রিজভীর নাম সামনে থাকলেও সিদ্ধান্তের ভার বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরই রয়েছে।

আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার হওয়ার কথা। এরপর ২০ আগস্টের ভোটের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

সর্বাধিক পঠিত