বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ‘বিগ থ্রি’ তারকা কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামছে শক্ত দল।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের জন্য একাদশ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দুই দশকের বেশি সময় পর এই মাঠে টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে দলের তিন অভিজ্ঞ পেসার প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্কের একসঙ্গে ফেরা। এক বছরের বেশি সময় পর অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগ থ্রি’ আবার একই টেস্টে মাঠে নামছেন।
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে বিগ থ্রি

বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন প্যাট কামিন্স। তাঁর সঙ্গে পেস আক্রমণে থাকছেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড।
দীর্ঘ বিরতির পর তিনজনকে একসঙ্গে পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে হ্যাজলউড সর্বশেষ অ্যাশেজের চোটের কারণে শেষ দুই টেস্টে খেলতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ফিরেছেন অফ স্পিনার নাথান লায়নও। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে অ্যাশেজের শেষ দুই টেস্টে দলের বাইরে ছিলেন তিনি।
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশ
অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত একাদশ হলো—
জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, বো ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।
দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডার থাকছেন দলে
অস্ট্রেলিয়ার একাদশে দুই পেস বোলিং অলরাউন্ডারও রয়েছেন। ক্যামেরন গ্রিন নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে একাদশে রয়েছেন বো ওয়েবস্টার।
ফলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেস বোলিংয়েও অতিরিক্ত বিকল্প রাখার সুযোগ পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তবে উৎস পাঠে তাঁদের সম্ভাব্য ভূমিকা বা বোলিংয়ের পরিমাণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
হ্যাজলউড ফেরায় একাদশের বাইরে বোল্যান্ড
জশ হ্যাজলউড একাদশে ফেরায় জায়গা হয়নি স্কট বোল্যান্ডের। হ্যাজলউড গত বছরের অক্টোবরের পর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি। চোটের কারণে অ্যাশেজেও তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ ধারাবাহিক ছিলেন বোল্যান্ড। অ্যাশেজের পাঁচটি টেস্টেই খেলেছেন তিনি। ওই সিরিজে পাঁচ ম্যাচে তাঁর শিকার ছিল ২০ উইকেট।
অ্যাশেজে প্যাট কামিন্স খেলেছিলেন একটি টেস্ট এবং নাথান লায়ন খেলেছিলেন দুটি টেস্ট। সেই তুলনায় বোল্যান্ড পুরো সিরিজে নিয়মিত ছিলেন।
তবে ডারউইন টেস্টে সুযোগ না পেলেও সামনে বোল্যান্ডের জন্য ম্যাচ খেলার সুযোগ কমবে না। অস্ট্রেলিয়ার আগামী ১২ মাসের সূচিতে সর্বোচ্চ ২১টি টেস্ট থাকতে পারে। ফলে পেস আক্রমণে তাঁকে নিয়মিত প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া তাদের অভিজ্ঞ পেস আক্রমণের তিন সদস্যকে একসঙ্গে খেলাচ্ছে। কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্কের সঙ্গে স্পিনে থাকছেন নাথান লায়ন।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপেও রয়েছেন জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ। উইকেটকিপার হিসেবে থাকছেন অ্যালেক্স ক্যারি।
এদিকে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টটি ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট খেলা এবং দীর্ঘ বিরতির পর এই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট খেলাকে কেন্দ্র করে ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
সামনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যস্ত টেস্ট সূচি
বোল্যান্ডের একাদশে না থাকার বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১২ মাসে অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ ২১টি টেস্ট খেলতে পারে। তাই পেসারদের নিয়মিত ঘুরিয়ে খেলানোর প্রয়োজন হতে পারে।
ডারউইন টেস্টে হ্যাজলউডের ফেরার ফলে বোল্যান্ডকে বাইরে থাকতে হলেও সামনে তাঁর জন্য সুযোগ থাকবে বলে উৎস প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে অভিজ্ঞতা ও বৈচিত্র্যের সমন্বয় দেখা যাচ্ছে। তিন পেসার কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্কের সঙ্গে নাথান লায়নের উপস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার বোলিং ইউনিটকে অভিজ্ঞ করে তুলেছে।
সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রেক্ষাপট
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি শুরু হবে আগামীকাল ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়াও দুই দশকের বেশি সময় পর এই মাঠে টেস্ট খেলবে। ফলে দুই দলের জন্যই ডারউইনের ম্যাচটি সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে যাচ্ছে।
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একাদশে বিগ থ্রির প্রত্যাবর্তন ম্যাচটির অন্যতম আলোচিত দিক। বিশেষ করে এক বছরের বেশি সময় পর প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও মিচেল স্টার্ককে একই একাদশে দেখা যাবে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামছে। প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের সঙ্গে নাথান লায়নও রয়েছেন একাদশে।
অন্যদিকে স্কট বোল্যান্ড একাদশে জায়গা না পেলেও আগামী ১২ মাসের ব্যস্ত সূচিতে তাঁর সামনে আরও সুযোগ আসার সম্ভাবনার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন নজর থাকবে ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে।





