এইমাত্র

আরও খবর

Website Feature Image (17)
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
Website Feature Image (4)
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে রহস্য বাড়ছেই
Website Feature Image (2)
ঢাকার বাস রুট কমছে, আজ ৬ রুটের উদ্বোধন
Website Feature Image (19)
মোটরসাইকেল চালকদের জন্য বড় সুখবর
Website Feature Image (10)
বনানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে ফিলিপাইনি নারী দগ্ধ

অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা: সর্বোচ্চ চার বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ, দুয়েক দিনের মধ্যে রুটিন

অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা: সর্বোচ্চ চার বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ, দুয়েক দিনের মধ্যে রুটিন, এইচএসসির পুনঃপরীক্ষা ডিসেম্বরে আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সর্বোচ্চ চার বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ, দুয়েক দিনের মধ্যে রুটিন ও ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা হতে পারে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ডিসেম্বরে পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ চারটি বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় উপজেলা পর্যায়ে একটি করে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। দ্রুত পরীক্ষা নিয়ে একই মাসে ফল প্রকাশের মাধ্যমে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের চলমান শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুনঃপরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় না রেখে দ্রুত পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষা আয়োজনের কেন্দ্র, ফি এবং সময়সূচি নিয়েও কাজ চলছে।

এইচএসসি অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষায় সর্বোচ্চ চার বিষয়ে সুযোগ

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, একজন শিক্ষার্থী যেসব বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, সেসব বিষয়েই পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তিনটি এবং সর্বোচ্চ চারটি বিষয়ে পরীক্ষার সুযোগ নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি মাত্র একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁকে শুধু ওই একটি বিষয়েই পরীক্ষা দিতে হবে।

অর্থাৎ, সব শিক্ষার্থীর জন্য একই সংখ্যক বিষয়ে পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। একজন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ের সংখ্যার ভিত্তিতেই পরীক্ষার বিষয় নির্ধারিত হবে।

এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে যেসব শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাঁদের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আবারও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ তৈরি হবে।

দুয়েক দিনের মধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও ফরম পূরণের সময়সূচি

পুনঃপরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি দ্রুত প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে পরীক্ষার রুটিন এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

শিক্ষা বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যেই পরীক্ষা আয়োজন এবং ফল প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য সময়সূচি নির্ধারণ, পরীক্ষার্থী নিবন্ধন, কেন্দ্র প্রস্তুত এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করাই তাঁদের প্রধান উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেন দীর্ঘ সময় শিক্ষাজীবনের পরবর্তী ধাপের বাইরে না থাকেন, সেটি নিশ্চিত করতে চায় শিক্ষা বোর্ড।

তবে ডিসেম্বর মাসে বৃত্তি পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে একই সময়ে দুটি পরীক্ষার আয়োজন করতে গিয়ে সময়সূচি নির্ধারণে সমন্বয় করতে হবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই পুনঃপরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

উপজেলা পর্যায়ে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় এবার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় ভিন্ন পরিকল্পনা বিবেচনা করছে শিক্ষা বোর্ড। দেশের প্রায় ৫০০টি উপজেলায় একটি করে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায়ে কেন্দ্র স্থাপন করা হলে শিক্ষার্থীদের আসনবিন্যাস ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।

তবে সব উপজেলায় একই ধরনের কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত করা হয়নি। কোন বিষয়ে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন, সেই সংখ্যা বিবেচনা করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।

বিশেষ করে ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ দুটি বিষয়ের জন্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার্থীর চাপ বিবেচনা করে কেন্দ্র নির্ধারণ করা হলে পরীক্ষা পরিচালনার সুবিধা বাড়বে বলে পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইংরেজি ও আইসিটিতে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য

পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগের পেছনে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ এই দুটি বিষয়ে সমস্যায় পড়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এক বিষয়ে অকৃতকার্য প্রায় দুই লাখ ৯৮ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে আনুমানিক ৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ের ভূমিকা রয়েছে।

এই তথ্য থেকে পুনঃপরীক্ষার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার্থী ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও আইসিটিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কেন্দ্র নির্ধারণ এবং আসনবিন্যাসের পরিকল্পনায় বাড়তি মনোযোগ দিতে হচ্ছে।

শিক্ষা বোর্ডের পরিকল্পনায় তাই শুধু পরীক্ষার আয়োজন নয়, বরং কোন বিষয়ে কতজন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

পরীক্ষার ফি সহনীয় রাখার পরিকল্পনা

পুনঃপরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আর্থিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছে শিক্ষা বোর্ড। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, পরীক্ষার ফি সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

তবে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কেন্দ্র পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনা করে ফি নির্ধারণ করা হবে।

এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত কোনো চার্জ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

অর্থাৎ, পরীক্ষার আয়োজন পরিচালনায় যে ব্যয় প্রয়োজন হবে, তার ভিত্তিতে ফি নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ না দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

চূড়ান্ত ফি কত নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

বিকল্প শিক্ষার সুযোগ তৈরির পরামর্শ

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী।

তবে তাঁর মতে, শুধু পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দিয়েই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যথেষ্ট নয়। যারা পুনরায় পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প শিক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এ বিষয়ে তিনি কারিগরি শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা এবং কেয়ারগিভিংয়ের মতো কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনের সম্ভাবনা পুরোপুরি বাধাগ্রস্ত না হয়। প্রচলিত শিক্ষাধারায় সফল হতে না পারলেও অন্য ধরনের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের সামনে বিকল্প পথ তৈরি করা প্রয়োজন।

এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে বলে তাঁর পরামর্শে গুরুত্ব পেয়েছে।

এক মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার দাবি অভিভাবকদের

এদিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবিতে এক মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম।

সংগঠনটির সভাপতি মো. জিয়াউল কবির দুলু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মিয়া এক বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষা এবং আর্থিক ব্যয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

তাঁদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে পুনঃপরীক্ষার অপেক্ষায় থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি।

অভিভাবক সংগঠনটির বক্তব্যে মূলত দুটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে—পরীক্ষা আয়োজনের দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।

শিক্ষার্থীদের জন্য এখন কী গুরুত্বপূর্ণ?

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিসেম্বর মাসে পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা এবং দুয়েক দিনের মধ্যে রুটিন ও ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণার সম্ভাবনা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর।

তবে শিক্ষার্থীদের এখনো চূড়ান্ত নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বিশেষ করে কোন বিষয়ে কতজন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, ফরম পূরণের নিয়ম কী হবে, পরীক্ষার ফি কত নির্ধারণ করা হবে এবং কেন্দ্র কোথায় হবে—এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে বিষয়সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তিন ও সর্বোচ্চ চারটির যে পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে, সেটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও জানা জরুরি। এক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের শুধু সেই বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগের বিষয়টিও চূড়ান্ত নির্দেশনায় স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে পারে। তবে বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় এবং কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

সব মিলিয়ে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নতুন সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে যারা পুনরায় উত্তীর্ণ হতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প শিক্ষা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখার বিষয়টিও শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।

সর্বাধিক পঠিত