এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (12)
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা
News Photocard (9)
বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণঃ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সমন্বয় হলে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করা সম্ভব
News Photocard (14)
বিএনপিকে দায়ী করে নাহিদ বললেন, ‘কতটা ভয় পেলে এতটা উন্মাদ হতে পারে’
News Photocard
রাবিতে ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের তিন দফা দাবি
News Photocard (11)
স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা

রাজধানীর চিহ্নিত ৪১ চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের দাবি ডিএমপির

রাজধানীর চিহ্নিত ৪১ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করেছে ডিএমপি। গত চার দিনে বিভিন্ন এলাকায় ৪১ জনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ। নেওয়া হয়েছে আইনগত ব্যবস্থা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গত চার দিনে পরিচালিত এসব অভিযানে চিহ্নিত ৪১ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় ডিএমপি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই গত চার দিনে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর ৪১ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান

ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ এসব ব্যক্তিকে চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম, নির্দিষ্ট সংখ্যা অনুযায়ী কোন কোন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিংবা প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কী ধরনের নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে—এসব বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ডিএমপি জানিয়েছে, চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির ভিত্তিতে অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়েছে। অর্থাৎ শুধু সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, সংশ্লিষ্টদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখার বিষয়টিও অভিযানের প্রক্রিয়ার অংশ ছিল বলে পুলিশের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

গ্রেপ্তারের পর সংশ্লিষ্ট থানায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে অভিযানের পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে মামলাসহ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

চার দিনে ৪১ জন গ্রেপ্তার

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গত চার দিনের অভিযানে ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। একই সঙ্গে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে নজরদারিও চালানো হচ্ছে।

ডিএমপির এই তথ্য এমন সময়ে এসেছে, যখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ বেড়ে যাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ব্যবসা ও পরিবহন খাতে নজরদারি

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন খাত এবং জনবহুল এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাত রাজধানীর দৈনন্দিন কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ডিএমপি।

জনবহুল এলাকাতেও পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে চাঁদাবাজিসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এ প্রসঙ্গে ডিএমপির প্রকাশিত তথ্যের বাইরে নতুন কোনো অভিযোগ, ঘটনার ধরন বা গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলার বিবরণ এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের নজরদারি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে ডিএমপি জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

এই তৎপরতার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ রয়েছে, তাদের ওপর নজরদারি চালানোর কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজির অভিযোগের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

এতে বোঝা যায়, গত চার দিনের ৪১ জন গ্রেপ্তারের অভিযানকে একটি চলমান চাঁদাবাজিবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখছে ডিএমপি। তবে এই অভিযানের পরবর্তী ধাপে কতজনের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি।

অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

মঙ্গলবার সকালে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি স্পষ্ট করেছে, চাঁদাবাজিসহ যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অপরাধে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই তৎপরতার অন্যতম লক্ষ্য। এ জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি এবং অভিযান চালানো হচ্ছে।

চাঁদাবাজির নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে অভিযান পরিচালনার যে প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছে ডিএমপি, সেটিই সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এদিকে গত চার দিনে ৪১ জনকে গ্রেপ্তারের দাবি রাজধানীতে চাঁদাবাজিবিরোধী পুলিশের তৎপরতার পরিধি তুলে ধরেছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়, পৃথক অভিযোগ এবং মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় এ বিষয়ে ডিএমপির দেওয়া তথ্যের মধ্যেই প্রতিবেদনটির পরিধি সীমাবদ্ধ থাকছে।

ডিএমপির ঘোষণা অনুযায়ী, রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান সামনে অব্যাহত থাকবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন খাত এবং জনবহুল এলাকায় নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত চার দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪১ জন চিহ্নিত চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে ডিএমপি। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

সর্বাধিক পঠিত