এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (16)
মেসির কীর্তি ভেঙে রোনালদোয় চোখ কেইনের
News Photocard (6)
বাংলাদেশ সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দল ঘোষণা, কে আছেন, কে নেই
News Photocard (3)
আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির পথচলায় রোনালদোর শ্রদ্ধা
News Photocard (24)
বিস্ফোরক বিবৃতিতে নিজের শাস্তি চাইলেন রোনালদো
News Photocard (15)
‘এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন’, বিদায়ের বার্তা মেসির

হামজাকে ছাড়াই সাফ শুরু করবে বাংলাদেশ

হামজাকে ছাড়াই সাফ শুরু করবে বাংলাদেশ, ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে। ফিফা উইন্ডোর আগে প্রবাসী ফুটবলারদের না পাওয়ায় ভিন্ন দল নিয়ে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম ম্যাচ থেকেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, ফিফার অফিশিয়াল উইন্ডো শুরুর আগে অধিকাংশ প্রবাসী ফুটবলারকে পাওয়া যাবে না। ফলে আগামী ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীসহ বেশির ভাগ প্রবাসী খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নামতে হতে পারে বাংলাদেশকে।

জাতীয় দল কমিটির এক বৈঠক শেষে তাবিথ আউয়াল জানান, ফিফার আন্তর্জাতিক বিরতি শুরু হবে ৯ নভেম্বর। অন্যদিকে বাংলাদেশের সাফ অভিযান শুরু হবে তার চার দিন আগে, ৫ নভেম্বর। এই সূচিগত ব্যবধানের কারণে প্রথম ম্যাচে পূর্ণ শক্তির দল গঠন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাফুফে জানিয়েছে, সাফের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে ২৫ অক্টোবর। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

সাফে হামজাকে ছাড়াই বাংলাদেশ: কেন তৈরি হলো সংকট?

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হতে যখন আর মাসখানেকও বাকি নেই, তখনই বাংলাদেশের দল গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মূল কারণ আন্তর্জাতিক ফুটবল সূচি এবং ক্লাব পর্যায়ের ম্যাচের সঙ্গে জাতীয় দলের খেলার সময়ের অসামঞ্জস্য।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার কথা। বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে। কিন্তু ফিফার অফিশিয়াল উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর থেকে। ফলে আন্তর্জাতিক বিরতির আগে বিদেশি ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য পূর্ণ স্কোয়াড পাওয়া যাবে না। তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ৯০ শতাংশ প্রবাসী ফুটবলারকে ৯ নভেম্বরের পর পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ প্রথম ম্যাচে যে দল খেলবে, পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সেই দলের গঠন ও খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কোচিং স্টাফকে সীমিত সময়ে খেলোয়াড়দের নিয়ে কার্যকর কৌশল তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম ম্যাচের জন্য সম্ভাব্য একাদশ, বিকল্প খেলোয়াড় এবং দলের সামগ্রিক ভারসাম্য নিয়েও পরিকল্পনা সাজাতে হবে।

হামজা চৌধুরীর ক্লাব সূচি নিয়ে জটিলতা

বাংলাদেশ দলের অন্যতম আলোচিত ফুটবলার হামজা চৌধুরী ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলেন। তাঁর ক্লাবের ম্যাচ রয়েছে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। ফলে বাংলাদেশের ৫ নভেম্বরের সাফ ম্যাচে তাঁকে পাওয়ার ক্ষেত্রে সূচিগত বাধা তৈরি হয়েছে।

হামজার মতো বিদেশি ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লাবের সূচি ও আন্তর্জাতিক বিরতির সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য সেই সময়ের সমন্বয়ই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

তবে সংকটটি শুধু হামজা চৌধুরীকে ঘিরে নয়। বাফুফে সভাপতির বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, অন্যান্য প্রবাসী খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। ফলে প্রথম ম্যাচে হামজার অনুপস্থিতির পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে না পাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রথম ম্যাচের পর বদলাতে পারে বাংলাদেশের দল

তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের পর বাংলাদেশকে ভিন্ন দল নিয়ে খেলতে হতে পারে। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক বিরতি শুরু হলে প্রবাসী ফুটবলারদের অধিকাংশকে পাওয়া সম্ভব হতে পারে।

একই টুর্নামেন্টে অল্প সময়ের ব্যবধানে দলীয় সমন্বয় পরিবর্তন হলে খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি করা কোচিং স্টাফের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে আক্রমণ, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের সমন্বয়ে পরিবর্তন এলে দলের কৌশলও নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচে যারা সুযোগ পাবেন, তাঁদের পারফরম্যান্স তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রবাসী ফুটবলারদের অনুপস্থিতিতে স্থানীয় খেলোয়াড়দের ওপর দায়িত্ব বাড়বে। একই সঙ্গে পরবর্তী ম্যাচের জন্য দলে যোগ দিতে যাওয়া ফুটবলারদের সঙ্গে দ্রুত সমন্বয় তৈরির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

তবে প্রথম ম্যাচে ঠিক কোন খেলোয়াড়েরা একাদশে থাকবেন, কিংবা পরবর্তী ম্যাচগুলোতে কতজন প্রবাসী ফুটবলার যোগ দেবেন, সে বিষয়ে উৎস প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই। তাই চূড়ান্ত দল ও কৌশল নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

২৫ অক্টোবর শুরু হবে সাফের প্রস্তুতি ক্যাম্প

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু হবে ২৫ অক্টোবর। টুর্নামেন্টের সূচি এবং প্রবাসী ফুটবলারদের যোগ দেওয়ার সময় বিবেচনায় নিয়ে এই ক্যাম্পে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতিতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

ক্যাম্পের শুরুতে সব খেলোয়াড়কে একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব না হলে কোচিং স্টাফকে পর্যায়ক্রমে দল প্রস্তুত করতে হতে পারে। প্রথম ম্যাচের জন্য একটি কার্যকর দল তৈরি করা এবং পরবর্তী ম্যাচে সম্ভাব্য পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া—দুটি বিষয়ই বাংলাদেশের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা

সাফের আগে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি যাচাই করতে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাফুফে। তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, অনানুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক বিরতির মধ্যেই ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

এ জন্য বিদেশ থেকে কোনো দল আনার অথবা কোনো ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন দলকে বেছে নেওয়া হবে, ম্যাচটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে কিংবা কবে আয়োজন করা হবে—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য জানানো হয়নি।

প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হলে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বর্তমান অবস্থা যাচাই, সম্ভাব্য একাদশ পরীক্ষা এবং দলের সমন্বয় উন্নত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রবাসী খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতিতে ম্যাচটি হলে সাফের পূর্ণ স্কোয়াডের প্রস্তুতির চিত্র কতটা পাওয়া যাবে, সেটিও বিবেচ্য বিষয়।

ঘরোয়া লিগের মাঠ ও চোটের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

জাতীয় দলের প্রস্তুতির পাশাপাশি ঘরোয়া লিগের মাঠের অবস্থাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বাফুফে। তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, মাঠের করুণ দশা এবং ফুটবলারদের চোটের ঝুঁকি কমানোর বিষয়টি ফেডারেশনের বিবেচনায় রয়েছে।

একটি বড় টুর্নামেন্টের আগে খেলোয়াড়দের শারীরিকভাবে সুস্থ রাখা এবং নিয়মিত অনুশীলনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের অবস্থা ভালো না হলে খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই সাফের প্রস্তুতির সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতি এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেসের বিষয়টিও যুক্ত রয়েছে।

তবে কোন মাঠে কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, কিংবা চোটের ঝুঁকি কমাতে ফেডারেশন নির্দিষ্ট কী ব্যবস্থা নেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

আসিয়ান কাপে ব্যর্থতার পর কোচ টমাস ডুলিকে ঘিরে আলোচনা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির পাশাপাশি বাংলাদেশ দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়েও আলোচনা চলছে। সর্বশেষ আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোল হজম করে বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওই ফলের পর জাতীয় দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও বাফুফে সভাপতি জানিয়েছেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ফুটবলে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের পরিবর্তন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। তবে পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলেই যে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বিষয়টি এমন নয়।

তাবিথ আউয়াল বলেন, দলের প্রয়োজন বিবেচনায় যেকোনো সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে আসিয়ান কাপের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রতিটি বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নিজেকেও কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে হয় বলে উল্লেখ করেন বাফুফে সভাপতি।

তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই বক্তব্যে জাতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার পর মূল্যায়ন ও জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে কোচ টমাস ডুলির দায়িত্ব নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথা বাফুফে সভাপতি জানাননি।

প্রবাসী ফুটবলার খুঁজতে নতুন পরিকল্পনা বাফুফের

জাতীয় দলের জন্য প্রবাসী প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে বের করার কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চায় বাফুফে। এর অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী তরুণদের নিয়ে বছরে দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ইউরোপের অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিভাবান ফুটবলারদের খোঁজে ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম চালানো হবে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, প্রবাসে বেড়ে ওঠা তরুণ ফুটবলারদের শনাক্ত করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়ের পরিধি বাড়ানো। ইংল্যান্ডে বয়সভিত্তিক ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা গেলে তরুণদের খেলার সক্ষমতা পর্যবেক্ষণের একটি কাঠামো তৈরি হতে পারে।

তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের সময়সূচি, অংশগ্রহণকারী নির্বাচন এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে কার্যক্রম শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

সাফে হামজাকে ছাড়াই বাংলাদেশের সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

সাফে হামজাকে ছাড়াই বাংলাদেশের অভিযান শুরুর সম্ভাবনা দলটির প্রস্তুতি ও কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। ফিফা উইন্ডোর আগে প্রবাসী খেলোয়াড়দের পাওয়া না যাওয়ায় প্রথম ম্যাচের জন্য আলাদা পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। পরে তাঁদের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকায় দলকে একাধিক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

প্রথমত, ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য উপলব্ধ খেলোয়াড়দের নিয়ে কার্যকর দল গঠন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ৯ নভেম্বরের পর প্রবাসী ফুটবলাররা যোগ দিলে তাঁদের সঙ্গে অন্য খেলোয়াড়দের সমন্বয় তৈরি করতে হবে। তৃতীয়ত, আসিয়ান কাপের পর দলীয় পারফরম্যান্স নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সাফে ভালো করার মাধ্যমে সেই উদ্বেগ কমানোর সুযোগ থাকবে।

অন্যদিকে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন, মাঠের অবস্থা বিবেচনা এবং খেলোয়াড়দের চোটের ঝুঁকি কমানোর বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, তার ওপর টুর্নামেন্টের আগে বাংলাদেশের প্রস্তুতির মান নির্ভর করতে পারে।

তবে প্রবাসী খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি মানেই বাংলাদেশের ফলাফল কী হবে, তা আগাম নির্ধারণ করে দেয় না। মাঠে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগানো, দলীয় সমন্বয় এবং কৌশল বাস্তবায়নের ওপরও পারফরম্যান্স নির্ভর করবে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে হামজা চৌধুরীসহ অধিকাংশ প্রবাসী ফুটবলারকে না পাওয়ার আশঙ্কা বাংলাদেশের প্রস্তুতিকে জটিল করে তুলেছে। ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বাফুফে ক্যাম্প শুরু করবে ২৫ অক্টোবর। পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

৯ নভেম্বরের পর প্রবাসী ফুটবলারদের পাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশের দলীয় সমন্বয়ে পরিবর্তন আসতে পারে। একই সময়ে আসিয়ান কাপের ব্যর্থতার পর কোচ ও খেলোয়াড়দের জবাবদিহি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রবাসী প্রতিভা খুঁজে বের করার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে।

সব মিলিয়ে, সাফে বাংলাদেশের শুরুটা নির্ভর করবে সীমিত সময়ে প্রস্তুতি, উপলব্ধ খেলোয়াড়দের কার্যকর ব্যবহার এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ণ স্কোয়াডের সঙ্গে সমন্বয় তৈরির ওপর।

সর্বাধিক পঠিত