আরও খবর

যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (12)
বিশ্বকাপে কে কী পুরস্কার পেলেন
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (9)
বিশ্বকাপ জিতে কত টাকা পেল স্পেন
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (6)
মেসিকে পেছনে ফেলে রদ্রির গোল্ডেন বল জেতা কতটা যৌক্তিক
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (3)
যে ৫ কারণে হেরেছে আর্জেন্টিনা
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
উদ্বাস্তু কলোনি থেকে বিশ্বজয়, ইয়ামালের স্বপ্নের জীবনেতিহাস

পেলের ৫৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ওলিসে

ওলিসের ৭ অ্যাসিস্ট বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ২৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড, পেলের ৫৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ওলিসে, গড়েছেন অনন্য কীর্তি।

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন মাইকেল ওলিসে। সর্বশেষ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২২ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করা এই ফরোয়ার্ড এবার বিশ্বকাপে গোলের দেখা না পেলেও সতীর্থদের গোল করানোর ক্ষেত্রে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছেন। গতকাল রাতে মায়ামির বিপক্ষে দুই গোল অ্যাসিস্ট করে ২৪ বছর বয়সী ওলিসে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েছেন এবং ৫৬ বছর ধরে অক্ষত থাকা পেলের রেকর্ড ভেঙেছেন।

ওলিসের ৭ অ্যাসিস্ট এখন বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ সহায়তার নতুন রেকর্ড। এর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন ফুটবলের ‘কালো মানিক’ খ্যাত এই কিংবদন্তি।

ওলিসের ৭ অ্যাসিস্টে ভাঙল পেলের রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে গোল করতে না পারলেও মাইকেল ওলিসে তার সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে ম্যাচে বড় প্রভাব রেখেছেন। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তার অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭-এ।

গতকাল রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা জোড়া অ্যাসিস্টের পরই রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লিখিয়েছেন ওলিসে। তার তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে দুটি গোল করেন। ফলে গোল না করেও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড।

এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ওলিসে শুধু নিজের দলকে সহায়তা করেননি, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নতুন একটি মাইলফলক স্থাপন করেছেন। তার ৭ অ্যাসিস্ট পেলের ৫৬ বছর আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

গোল না পেলেও সতীর্থদের গোল করাচ্ছেন ওলিসে

মাইকেল ওলিসের এবারের বিশ্বকাপ যাত্রায় একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—তিনি এখনো জালের দেখা পাননি। তবে গোল না করার বিষয়টি তার সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে ম্লান করেনি।

বরং সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ধারাবাহিকভাবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। তার পাস, সৃষ্টিশীলতা এবং আক্রমণভাগে অবদান দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২২ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করেছিলেন ওলিসে। সেই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতাই বিশ্বকাপেও দেখা যাচ্ছে। এবার গোলের বদলে অ্যাসিস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন।

গতকাল রাতে তার দুই অ্যাসিস্টের পর কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করেন। আর সেই দুই সহায়তাই ওলিসেকে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডের মালিক করে দেয়।

পেলের ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ৫৬ বছর পর ভাঙলেন ওলিসে

১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে পেলে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের তালিকায় এই রেকর্ড অক্ষত ছিল।

তবে এবার ২৪ বছর বয়সী মাইকেল ওলিসে সেই রেকর্ড পেছনে ফেলেছেন। তার অ্যাসিস্ট সংখ্যা এখন ৭। ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ গোল সহায়তার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

পেলের মতো একজন কিংবদন্তির দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভাঙা ওলিসের পারফরম্যান্সের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে গোল না করেও একজন খেলোয়াড় কীভাবে দলের আক্রমণভাগকে প্রভাবিত করতে পারেন, ওলিসের পারফরম্যান্স তারই উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের তালিকায় ওলিসে সবার ওপরে

বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের তালিকায় এখন সবার ওপরে মাইকেল ওলিসে। ৭টি অ্যাসিস্ট নিয়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন পেলের ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।

ওলিসে ও পেলের পর ৫টি করে অ্যাসিস্ট নিয়ে তালিকায় রয়েছেন পোল্যান্ডের রবার্ট গ্যাদোচা, পশ্চিম জার্মানির পিয়েরে লিটবার্স্কি, আর্জেন্টিনার ডিয়েগো ম্যারাডোনা এবং জার্মানির থমাস হাসলার।

এই তালিকায় একাধিক কিংবদন্তি ফুটবলারের নাম রয়েছে। তাদের পাশে নিজের নাম যুক্ত করে ওলিসে বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি বিশেষ জায়গা তৈরি করেছেন।

রেকর্ডের তালিকায় কিংবদন্তিদের পাশে ওলিসে

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অ্যাসিস্টের মতো পরিসংখ্যান অনেক সময় গোলের আড়ালে পড়ে যায়। কিন্তু ম্যাচের ফল নির্ধারণে গোলের আগে দেওয়া শেষ পাসের গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি।

মাইকেল ওলিসের এবারের পারফরম্যান্স সেই বিষয়টিই সামনে এনেছে। তিনি নিজে গোল না করলেও সতীর্থদের গোল করার সুযোগ তৈরি করেছেন। আর সেই ধারাবাহিক সহায়তাই তাকে পেলের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ দিয়েছে।

বিশ্বকাপে এক আসরে ৭টি অ্যাসিস্ট করে ওলিসে এখন ইতিহাসের অংশ। তার সামনে থাকা রেকর্ডটি ছিল ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি পেলের। তাই এই অর্জন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ওলিসের পারফরম্যান্সে নতুন আলোচনার জন্ম

বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে একজন ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্স সাধারণত গোলসংখ্যা দিয়ে বিচার করা হয়। কিন্তু ওলিসের ক্ষেত্রে এবারের চিত্র ভিন্ন।

তিনি গোল করতে না পারলেও গোল তৈরিতে ধারাবাহিকভাবে সফল হয়েছেন। তার ৭টি অ্যাসিস্টই প্রমাণ করছে, আক্রমণভাগে তার অবদান শুধু গোল করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

গতকাল রাতে মায়ামির বিপক্ষে দুই অ্যাসিস্টের পর কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল ওলিসের পারফরম্যান্সকে আরও আলোচনায় নিয়ে আসে। একই সঙ্গে সেই ম্যাচেই তিনি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েন।

ফলে গোল না পাওয়ার বিষয়টি এখন তার রেকর্ডগড়া পারফরম্যান্সের তুলনায় অনেকটাই আড়ালে চলে গেছে।

ওলিসের ৭ অ্যাসিস্ট নিয়ে ফুটবল বিশ্বে নতুন মাইলফলক

মাইকেল ওলিসের এই রেকর্ড বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ২৪ বছর বয়সে তিনি এমন একটি রেকর্ড ভেঙেছেন, যা ৫৬ বছর ধরে পেলের দখলে ছিল।

তার আগে পেলে ১৯৭০ বিশ্বকাপে ৬টি অ্যাসিস্ট করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন। এবার ওলিসে সেই সংখ্যাকে ছাড়িয়ে ৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন।

সর্বশেষ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ২২ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট করা ওলিসে বিশ্বকাপেও নিজের সৃষ্টিশীল ফুটবলের প্রমাণ দিয়েছেন। গোল না পেলেও সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের নতুন রেকর্ড এখন তার দখলে। আর এই রেকর্ডের মাধ্যমে পেলের ৫৬ বছরের পুরনো কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন মাইকেল ওলিসে।

মাইকেল ওলিসে এবারের বিশ্বকাপে এখনো গোল করতে পারেননি। তবে তার ৭টি অ্যাসিস্ট তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন রেকর্ডের মালিক করেছে। গতকাল রাতে জোড়া অ্যাসিস্ট করে তিনি পেলের ১৯৭০ সালের ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছেন।

৫৬ বছর পর বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডে পরিবর্তন এসেছে। কিংবদন্তি পেলের পাশে থাকা সেই রেকর্ড এখন মাইকেল ওলিসের দখলে। গোল না করেও কীভাবে একজন খেলোয়াড় দলের আক্রমণভাগে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন, তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকল ওলিসের এই বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স।

সর্বাধিক পঠিত