এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (37)
ডেসকোর প্রি-পেইড গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অনুরোধ
News Photocard (35)
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: বাঁচতে টয়লেটে আশ্রয়, সেখানেই ৪ মৃত্যু
News Photocard (25)
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার মেয়াদের বেশি থাকলে হতে পারে মামলা : দূতাবাস
News Photocard (16)
হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর, সময় বেঁধে দিলেন ৭ দিন
News Photocard (5)
ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি

সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬৬২০ যাত্রী

সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬৬২০ যাত্রী, ভিসার মেয়াদ শেষের শঙ্কায় প্রবাসীরা পড়েছেন বিপাকে, বিকল্প পথে সৌদি পাঠাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ১০৭টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে, এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রী। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার জেরে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বিশেষ করে ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে থাকা প্রবাসী কর্মীরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প পথে কর্মীদের সৌদি আরবে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিল: ১০৭ ফ্লাইটে ভোগান্তিতে ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) গতকালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী মোট ১০৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪৪টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৬৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মোট ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী কর্মীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে দেশটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করা যাত্রীরা।

ফ্লাইট বাতিলের প্রভাব শুধু যাত্রার সময়সূচির পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যাঁদের নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছানো জরুরি, তাঁদের জন্য এই পরিস্থিতি বাড়তি অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যেসব কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, তাঁদের উদ্বেগ বেশি।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের একটি অংশ সরাসরি ঢাকা থেকে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা ছিল। অন্য অংশের যাত্রীরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। সরাসরি ও ট্রানজিট—দুই ধরনের ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় বিপুলসংখ্যক যাত্রীর ভ্রমণ পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে।

কোন কোন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে?

বেবিচকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসভেদে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা নিচে তুলে ধরা হলো।

সরাসরি ফ্লাইট বাতিল

ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী বাতিল হওয়া ৪৪টি সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে—

  • বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি ফ্লাইট

  • ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট

  • সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট

  • রিয়াদ এয়ারওয়েজের ৭টি ফ্লাইট

এই চারটি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিলের ফলে সরাসরি সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করা যাত্রীদের যাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ৬৩টি ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে—

  • ইন্ডিগোর ২২টি ফ্লাইট

  • এমিরেটসের ১৪টি ফ্লাইট

  • কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি ফ্লাইট

  • ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি ফ্লাইট

  • সালাম এয়ারের ৭টি ফ্লাইট

  • এয়ার ইন্ডিয়ার ৪টি ফ্লাইট

  • ইজিপ্টএয়ারের ১টি ফ্লাইট

ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে যাত্রীরা সাধারণত মধ্যবর্তী কোনো বিমানবন্দর হয়ে গন্তব্যে পৌঁছান। ফলে এসব ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় শুধু ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করাই নয়, নির্ধারিত সংযোগের মাধ্যমে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পরিকল্পনাও ব্যাহত হয়েছে।

তবে সব যাত্রীর ক্ষেত্রে বিকল্প যাত্রার সময়সূচি বা নতুন টিকিটের ব্যবস্থা কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে প্রদত্ত তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ রাখছে ইন্ডিগো

সৌদি আরবের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভারতীয় বেসরকারি বিমান পরিচালনাকারী সংস্থা ইন্ডিগো তাদের সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, রিয়াদ, জেদ্দা, দাম্মাম ও মদিনা থেকে যাওয়া-আসার ফ্লাইট আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাতিল থাকবে। সৌদি আরবের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিগো।

এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের যাত্রীদেরও সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বহন করার কথা ছিল ইন্ডিগোর ২২টি ট্রানজিট ফ্লাইটের। এসব ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের যাত্রা পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে।

ইন্ডিগোর ঘোষণায় চারটি সৌদি শহরের সঙ্গে বিমান যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্নের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তবে ২৪ অক্টোবরের পর ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

যাত্রীদের জন্য তাই নিজ নিজ এয়ারলাইনসের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা, বিকল্প সময়সূচি এবং টিকিট-সংক্রান্ত নির্দেশনা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

হুতি বিদ্রোহীদের হামলার প্রভাব সৌদি আরবের বিমান যোগাযোগে

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার জেরে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিমান যোগাযোগে এমন বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের যাত্রা পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়। বিশেষ করে যেসব যাত্রী অন্য দেশের বিমানবন্দর হয়ে গন্তব্যে পৌঁছান, তাঁদের ক্ষেত্রে একাধিক ফ্লাইটের সময়সূচি সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি ও ট্রানজিট—দুই ধরনের ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বাংলাদেশের যাত্রীদের ওপর প্রভাব পড়েছে। বেবিচকের হিসাবে, বাতিল হওয়া ১০৭টি ফ্লাইটের কারণে ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তবে হামলার নির্দিষ্ট স্থান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিস্তারিত বিবরণ কিংবা ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে প্রদত্ত সংবাদে অতিরিক্ত তথ্য নেই। ফলে এসব বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

ভিসার মেয়াদ শেষের শঙ্কায় প্রবাসী কর্মীরা

ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে রয়েছে।

সৌদি আরবে কর্মস্থলে যোগ দেওয়া বা নির্ধারিত সময়ে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করা কর্মীদের জন্য ভ্রমণের সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লাইট বাতিল হলে তাঁদের নতুন করে যাত্রার ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু ভিসার মেয়াদ সীমিত থাকলে বিলম্বের কারণে অনিশ্চয়তা আরও বেড়ে যায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কতজন প্রবাসী কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষের কাছাকাছি, তাঁদের কতজনের যাত্রা জরুরি এবং ফ্লাইট বাতিলের কারণে তাঁদের কর্মক্ষেত্রে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে—এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা দেওয়া হয়নি।

তবে মোট ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রীর ভোগান্তির মধ্যে ভিসার মেয়াদ নিয়ে উদ্বিগ্ন কর্মীদের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁদের দ্রুত যাত্রার ব্যবস্থা করা এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে সমন্বয় করা এখন গুরুত্বপূর্ণ।

বিকল্প পথে কর্মীদের সৌদি পাঠানোর উদ্যোগ সরকারের

ফ্লাইট বাতিলের কারণে সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প পথে কর্মীদের সৌদি আরবে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ লক্ষ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জেদ্দা ও মদিনা বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। যেসব কর্মীর দ্রুত সৌদি আরবে পৌঁছানো প্রয়োজন, তাঁদের যাত্রার ব্যবস্থা সহজ করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে অতিরিক্ত ফ্লাইটের মাধ্যমে কতজন কর্মীকে পরিবহন করা হবে, কোন তারিখে কতটি ফ্লাইট পরিচালিত হবে কিংবা বিকল্প যাত্রার জন্য কী ধরনের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সরকারের এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা, ফ্লাইটের সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের ওপর। একই সঙ্গে যাত্রীদের সঠিক তথ্য জানানো এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভ্রমণের নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

যাত্রীদের জন্য এখন কী গুরুত্বপূর্ণ?

সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলের পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া। যাঁদের টিকিট কাটা রয়েছে, তাঁদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাত্রার নতুন সময়সূচি ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে তথ্য নেওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও জরুরি। এ ধরনের যাত্রীদের নিজেদের ভ্রমণ-সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা সহায়ক হতে পারে।

তবে নির্দিষ্ট কোনো এয়ারলাইনসের টিকিট পরিবর্তন, অর্থ ফেরত কিংবা বিকল্প ফ্লাইটের শর্ত সম্পর্কে এখানে আলাদা করে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঘোষণাই অনুসরণ করা উচিত।

বেবিচকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ১০৭টি ফ্লাইটের কারণে ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইন্ডিগো ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সৌদি আরবের চারটি শহরের সঙ্গে যাওয়া-আসার ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পরিবহনব্যবস্থা এবং ফ্লাইটের হালনাগাদ তথ্য যাত্রীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার ওপর

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হামলার প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের সৌদিগামী যাত্রীদের ভ্রমণে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটিয়েছে। সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপুলসংখ্যক যাত্রী আটকে পড়েছেন।

বিশেষ করে প্রবাসী কর্মীদের ভিসার মেয়াদ ও কর্মস্থলে ফেরার সময়সীমা বিবেচনায় দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ সেই প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তবে ফ্লাইট চলাচল কখন পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, বাতিল হওয়া সব যাত্রীর জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ইন্ডিগো ২৪ অক্টোবরের পর তাদের কার্যক্রম কীভাবে পরিচালনা করবে—এসব প্রশ্নের উত্তর পরবর্তী ঘোষণার ওপর নির্ভর করছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১০৭টি ফ্লাইট বাতিল এবং ১৬ হাজার ৬২০ জন যাত্রীর ভোগান্তির বিষয়টি পরিস্থিতির ব্যাপকতা তুলে ধরে। যাত্রীদের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং জরুরি যাত্রার ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়াই এখন সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

সর্বাধিক পঠিত