আরও খবর

যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
ব্রাজিল নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের চেষ্টা, মার্কিন ২ কর্মকর্তার ভিসা বাতিল
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (6)
পদত্যাগ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (3)
সিজেপির বিক্ষোভে আবারও সহিংসতা, ৫ পুলিশ আহত
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (1)
তিন শ বছরের ‘যন্তর মন্তর’ যেভাবে দিল্লির প্রতিবাদের স্থান হয়ে উঠল
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (19)
নিউ ইয়র্কে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতা, যা বললেন মামদানি

আন্দোলন সফল, এবার কি ভোটের রাজনীতিতে নামবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আন্দোলন সফল, এবার কি ভোটের রাজনীতিতে নামবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও দাবি মেনে নেওয়ার পর সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে নামবে কি সিজেপি?

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো সরকার মেনে নেওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ আন্দোলনের পর সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এখনই পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ তাদের মূল লক্ষ্য নয়। তবে ভবিষ্যতে সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে প্রবেশের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি তারা।

নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই আন্দোলন প্রায় এক মাস ধরে চলেছে। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা তরুণদের সংগঠনটি শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা আদায় করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের নীতিগত সম্মতি।

ভবিষ্যতে ভোটের রাজনীতিতে যাবে কি ককরোচ জনতা পার্টি?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস আন্দোলন-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন।

আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সংগঠনটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে ভবিষ্যতে সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করেননি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতে কোনো বিষয়কেই চূড়ান্তভাবে ‘না’ বলা উচিত নয়। অর্থাৎ, আপাতত রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের পরিকল্পনা না থাকলেও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছে না ককরোচ জনতা পার্টি।

আন্দোলনের সাফল্যের পর নিজের পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তিনি প্রথমে বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে চান। গত দুই মাস ধরে বাড়ির বাইরে থাকার পর পরিবার ও নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তার মতে, গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ ছিল আবেগঘন। একই সঙ্গে এটি ছিল গর্ব, আনন্দ ও স্বস্তির সময়। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা পরে ভেবে দেখার কথা জানিয়েছেন তিনি।

তৃণমূল পর্যায়ে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়াই এখন মূল লক্ষ্য

সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস সরাসরি রাজনীতিতে প্রবেশের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে তাদের প্রধান লক্ষ্য কোনো নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করা নয়। বরং আন্দোলনকে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া।

সৌরভ দাসের বক্তব্য, ভারতে ইতিমধ্যে সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু তাদের কেউই তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে না বলে তিনি মনে করেন।

তাই সিজেপি এমন একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে চায়, যা দেশের বিভিন্ন স্তরে তরুণদের দাবিকে তুলে ধরবে। তাদের লক্ষ্য হলো, ক্ষমতায় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা যেন তরুণদের দাবি উপেক্ষা করতে না পারেন।

সৌরভ দাসের ভাষায়, আপাতত এটিই সংগঠনটির প্রধান অ্যাজেন্ডা। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ককরোচ জনতা পার্টির রাজনৈতিক ভূমিকা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেয়ে চাপ সৃষ্টিকারী যুব আন্দোলন হিসেবে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে আন্দোলনের মোড় ঘোরে

সিজেপি নেতাদের এই মন্তব্য সামনে আসে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দিনই।

নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের পর ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাবলি তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি তার ব্যক্তিগত মর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও উল্লেখ করেন, এই স্পর্শকাতর পরিস্থিতিকে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যাতে কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য বজায় থাকে, সে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে আইনি জটিলতায় না জড়ায় এবং তারা যাতে আবার পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারেন, সেটিও তিনি বিবেচনায় নিয়েছেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ শাসনকালে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করা দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর আগে ২০১৮ সালে ‘মি টু’ আন্দোলনে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছিলেন।

৩৭ দিনের আন্দোলনে কীভাবে এল সমঝোতা?

গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের মাধ্যমে আন্দোলনের নতুন পর্যায় শুরু হয়। মে মাসে আম আদমি পার্টির সাবেক কর্মী অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে বিদ্রূপাত্মক অনলাইন ক্যাম্পেইন হিসেবে যে উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, তা পরে বড় যুব বিক্ষোভে পরিণত হয়।

আন্দোলনের সঙ্গে পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক যুক্ত হওয়ার পর প্রতিবাদ আরও গতি পায়। তিনি টানা ২৬ দিন অনশন করার পর গত বৃহস্পতিবার তা ভঙ্গ করেন।

এরপর আন্দোলনকারীদের দাবির ভিত্তিতে আলোচনার স্থান পরিবর্তন করা হয়। মন্ত্রীর বাসভবনের পরিবর্তে নিরপেক্ষ স্থান হিসেবে ‘কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়া’কে বেছে নেওয়া হয়।

সেখানেই কেন্দ্রীয় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আশুতোষ রাঙ্কার বক্তব্য অনুযায়ী, আগের আলোচনার তুলনায় শনিবারের বৈঠকের পরিবেশ ছিল অনেক বেশি সৌহার্দ্যপূর্ণ। তিনি জানান, সিজেপি নেতারা বৈঠকে পৌঁছানোর আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি ঘটে যায়।

ফলে আলোচনার মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায় বাকি দুটি দাবি। দ্রুতই সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয় বলে জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বিক্ষোভকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা।

আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, সরকার আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহারের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন করে মামলা না করার বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তার বক্তব্য, একজন উগ্র অপরাধী এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট। সিজেপি প্রথম দিন থেকেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ৩৭ দিন ধরে সেই অবস্থান বজায় রেখেছে।

তিনি আরও জানান, সমঝোতার বিষয়টি দ্রুত লিখিত চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক রূপ পাবে। সেই চুক্তির মূল বিষয় হবে আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে থাকা এফআইআর প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে সিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।

শিক্ষার্থীদের দাবি মানতে এত সময় লাগল কেন?

আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রায় এক মাস সময় লাগার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

এ বিষয়ে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, এই প্রশ্ন আন্দোলনকারীদের নয়, সরকারের কাছেই করা উচিত। তিনি জানান, বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছেও তারা জানতে চেয়েছিলেন—শিক্ষার্থীদের ৩০ দিন রাস্তায় বসে থাকার পর কেন সরকারের পক্ষ থেকে সাড়া এল, যখন বিষয়টি আরও আগেই সমাধান করা সম্ভব ছিল।

রাঙ্কা আরও বলেন, আন্দোলনকারীরা পেশাদার আন্দোলনকারী নন। তারা শিক্ষিত মানুষ এবং নিজেদের পেশাগত কাজে যুক্ত ছিলেন। রাজনীতির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, অভিজিৎ দীপক আন্দোলন শুরুর সময় বোস্টনে পড়াশোনা করছিলেন। আন্দোলন শেষ হলে তিনি হয়তো নিজের জন্য চাকরি খোঁজার দিকে মনোযোগ দিতেন।

‘রাষ্ট্রবিরোধী’ তকমা নিয়ে সিজেপির আপত্তি

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্রে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ প্রসঙ্গ উঠে আসার পর সিজেপির পক্ষ থেকেও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তিনি অতীতের খুচরো বিতর্কে যেতে চান না। তবে তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘দেশবিরোধী’ বা ‘ভাইরাস’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে না।

তার মতে, শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

আন্দোলনের পর সিজেপির সামনে কোন পথ?

আন্দোলনের সাফল্যের পর ককরোচ জনতা পার্টির সামনে এখন মূলত দুটি সম্ভাব্য পথ দেখা যাচ্ছে। প্রথমত, সংগঠনটি একটি যুবভিত্তিক সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তবে বর্তমানে সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব সরাসরি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। বরং তরুণদের দাবিকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপ তৈরি করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

আশুতোষ রাঙ্কার বক্তব্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ না হলেও সৌরভ দাসের বক্তব্যে বর্তমান অগ্রাধিকার স্পষ্ট। ফলে আপাতত ককরোচ জনতা পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তবে নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন যে সংগঠনটিকে ভারতের যুব রাজনীতির আলোচনায় নিয়ে এসেছে, তা স্পষ্ট। আগামী দিনে এই প্ল্যাটফর্ম সরাসরি ভোটের রাজনীতিতে নামে কি না, নাকি আন্দোলনভিত্তিক সংগঠন হিসেবেই নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, এফআইআর প্রত্যাহারের নীতিগত সম্মতি এবং সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মধ্য দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে আন্দোলনের সাফল্যের পর সংগঠনটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথ এখনো চূড়ান্ত নয়।

সিজেপির এক নেতা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি, অন্যদিকে আরেক নেতা তৃণমূল পর্যায়ে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাই আপাতত ককরোচ জনতা পার্টির সামনে সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতির চেয়ে তরুণদের দাবিকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরির পথই বেশি স্পষ্ট।

সর্বাধিক পঠিত