আরও খবর

News Photocard
নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের তারিখ আরো পেছাচ্ছে
News Photocard (12)
চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন মডেলে কাজ শুরু: অর্থমন্ত্রী
News Photocard (30)
২০২৬ সালের প্রাদেশিক উপনির্বাচন: অন্টারিও এনডিপির হয়ে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনটি ধরে রাখলেন শাবান
News Photocard (27)
নতুন দায়িত্ব পেলেন মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
News Photocard (24)
পে স্কেল বাস্তবায়নে বাড়তি টাকার সংস্থান যেভাবে

নিজ ঘরে ঝুলছিল মা ও ৪ বছরের মেয়ের লাশ

নিজ ঘরে ঝুলছিল মা ও ৪ বছরের মেয়ের লাশ, ৪ বছরের শিশুসহ দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত চলছে, ময়নাতদন্তে মিলবে কারণ।

সিলেটের জকিগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে মা ও তার ৪ বছরের মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়া এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

জকিগঞ্জে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে তাদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত মা ও শিশুর পরিচয়

উদ্ধার হওয়া মরদেহ দুটি হলো চম্পা রানি দাস ও তার ৪ বছরের মেয়ে হৃদি রানি দাস। চম্পা রানি দাসের বয়স ৩৫ বছর।

চম্পা রানি দাস বুরহানপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শাহগলী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী রতন দাসের স্ত্রী।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা চম্পা রানি দাস ও তার কন্যাশিশু হৃদি রানি দাসের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তবে কী কারণে মা ও মেয়ের এমন মৃত্যু হয়েছে, তা তারা বুঝতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনেরা।

জকিগঞ্জে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নিয়ে যা জানা গেছে

ঘটনার সময় ও স্থান সম্পর্কে পুলিশ ও স্বজনদের দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়া এলাকায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে তাদের নিজ বসতঘরের একটি কক্ষে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

পুলিশও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে

জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, মা ও মেয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

এ কারণে বর্তমানে মৃত্যুর ধরন বা কারণ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি পুলিশ।

পুলিশের তদন্ত চলছে

জকিগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ঘটনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

জকিগঞ্জে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এখন মূলত ময়নাতদন্তের ফলাফল এবং পুলিশের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

স্বজনদের মধ্যে অনিশ্চয়তা

চম্পা রানি দাস ও হৃদি রানি দাসের মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তারা কিছু বুঝতে পারছেন না।

তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

জকিগঞ্জের ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ

মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার পেছনের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে শুধু এটুকুই নিশ্চিত যে, জকিগঞ্জের বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়া এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে চম্পা রানি দাস ও তার ৪ বছরের মেয়ে হৃদি রানি দাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য বা মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে জানাতে হলে তদন্তের অগ্রগতি ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সামনে আসা প্রয়োজন।

সিলেটের জকিগঞ্জে শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বসতঘর থেকে ৩৫ বছর বয়সী চম্পা রানি দাস ও তার ৪ বছরের মেয়ে হৃদি রানি দাসের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের বুরহানপুর গ্রামের দাশপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

চম্পা রানি দাস ছিলেন শাহগলী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী রতন দাসের স্ত্রী। স্বজনরা জানিয়েছেন, বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

জকিগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে।

সিলেটের জকিগঞ্জে মা ও ৪ বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে।

সর্বাধিক পঠিত