আরও খবর

যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (12)
অস্ট্রেলিয়া গমনেচ্ছুদের জন্য ঢাকাস্থ হাইকমিশনের বিশেষ সতর্কবার্তা
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (6)
ভরা মৌসুমেও পাতে উঠছে না ইলিশ
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল
প্রশাসক বসছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
যে কারণে বাতিল মিশরের গোল (30)
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের ২ বছর: রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের কাজ এগোয়নি

বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও জুলাই শহীদ-আহত পরিবারের ১০ সদস্যকে চাকরি দেওয়ার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার পেছনে আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত দায়ী এবং বর্তমান সরকার এই পরিস্থিতি থেকে দেশ ও মানুষকে বের করে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা সক্রিয় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চিকিৎসক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বর্তমান সমস্যার একটি বড় অংশ আগের অপরিকল্পিত উদ্যোগের ফল।

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অনেক মানুষ বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন—সরকার বিষয়টি অস্বীকার করছে না। বরং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সংকট মোকাবিলায় কাজ শুরু করা হয়েছে।

তাঁর ভাষায়, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব এখন দেশ, জনগণ এবং সরকারের ওপর পড়ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সংকট কাটাতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। জ্বালানি খাতকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান থেকে বের করে আনতে আগের অপরিকল্পিত পরিকল্পনাগুলো সংশোধন এবং বাস্তবসম্মত নতুন পরিকল্পনা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, পেট্রল, গ্যাসসহ সামগ্রিক জ্বালানি খাতকে ধীরে ধীরে সংকটমুক্ত করতে সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।

সরকারি তথ্য ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য দেখা যেতে পারে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পন্ন ও নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমাতে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে আধুনিক এবং স্বয়ংসম্পন্ন করতে সরকার প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করেছে।

তবে শুধু সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে এসব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। উপজেলা ও জেলা পর্যায়সহ সরকারি-বেসরকারি সব চিকিৎসককে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ

জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।

সমাবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুনগাছের চারা রোপণ করেন। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ অন্যরা।

সমাবেশে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত সংকট থেকে সমাধান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মোস্তফা আদিব সুমন। ‘জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উত্থান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইফ মোহাম্মদ।

পেশাগত দায়িত্বে রাজনীতির প্রভাব না ফেলার আহ্বান

চিকিৎসক সমাবেশে পেশাজীবীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বিভিন্ন কাজকে প্রভাবিত করে। এ কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীরা নিজেদের মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকলে সেটিকে অযৌক্তিক বলা যায় না।

তবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করে, সেটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ড্যাবের চিকিৎসকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রচলিত রাজনীতির বাইরে গিয়ে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা এখন সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে বিষয়টি সবাইকে উপলব্ধি করার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্য পেলেন চাকরি

এদিকে জুলাইয়ের শহীদ ও গুরুতর আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, নিয়োগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পরিবারের খোঁজখবর নেন।

চাকরি পাওয়া ১০ জন হলেন—

  • শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা
  • শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন
  • শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার
  • শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার
  • শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা
  • শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি
  • শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি
  • শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রানী
  • গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার
  • গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের পেছনে বাংলাদেশকে আরও ভালো করার আকাঙ্ক্ষা ছিল।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্নাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা—এমন তথ্য জানান উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি ও রিকশা উপহার

জীবিকা নির্বাহের জন্য তিন জুলাই যোদ্ধাকে সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত ও প্যাডালচালিত রিকশা উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এসব উপহার তুলে দেওয়া হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং মিরপুর বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজিজ শেখকে একটি সিএনজি অটোরিকশা দেওয়া হয়।

কুষ্টিয়ার মো. গাফফারকে দুটি প্যাডালচালিত রিকশা এবং বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ৬৫ বছর বয়সী আসাদুল হক বিশুকে দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উপহার দেওয়া হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় গাফফার রাজধানীর মহাখালী এলাকায় আন্দোলনকারীদের নিয়মিত পানি সরবরাহ করেন এবং নিজের রিকশায় আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।

অনুষ্ঠানে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনওদের মানবিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান

দিনের আরেক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা ইউএনওদের উদ্দেশে আয়োজিত সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জন্য মানুষের সেবা করার সুযোগ একটি বড় আমানত ও নিয়ামত। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ রেখে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন ইউএনও যে উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছেন সেটি তাঁর নিজের উপজেলা না হলেও বাংলাদেশেরই অংশ। সেখানে বসবাসকারী মানুষকে নিজের এলাকার মানুষের মতো বিবেচনা করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভায় খাল খনন প্রকল্পের উদ্বৃত্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া ৮৩টি উপজেলার ইউএনওরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক পরিস্থিতিতে সরকারের বার্তা

দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে উঠে এসেছে—বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলা, জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং মাঠ প্রশাসনকে মানুষের কল্যাণে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা।

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যায় থাকা মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি সরকার অবগত রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যকে চাকরির নিয়োগপত্র এবং তিন জুলাই যোদ্ধাকে জীবিকা নির্বাহের উপকরণ দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের সংকট কাটাতে পরিকল্পনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং প্রশাসনের মাধ্যমে মানুষের সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত