এইমাত্র

আরও খবর

News Photocard (19)
হুতিদের অগ্রগতিতে ট্রাম্প-সালমানের সম্পর্কে টানাপোড়েন
News Photocard (8)
জাতিসংঘ অধিবেশন ঘিরে নিউইয়র্কে বোমা আতঙ্ক, সন্দেহজনক স্যুটকেস উদ্ধার
News Photocard (21)
চ্যাটজিপিটিকে পেছনে ফেলল মেটার ‘মিউজ’
News Photocard (12)
কলকাতায় হোটেল-গেস্টহাউসে কড়াকড়ি, বিপাকে বাংলাদেশি রোগীরা
News Photocard (24)
ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তেজনা, ঐতিহাসিক বৈঠকে ফ্রান্স-কানাডা সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার ঘোষণা

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, অবিলম্বে সংস্কার চায় জি-৪

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অবিলম্বে সংস্কার চায় জি-৪। নিউইয়র্কে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা স্থায়ী-অস্থায়ী সদস্য বাড়ানো ও আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপানের জোট জি-৪। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করে বলেছেন, বর্তমান কাঠামো বিশ্বের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতাকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত করছে না। তাই শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় পরিষদকে আরও কার্যকর, প্রতিনিধিত্বশীল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

জি-৪-এর এই অবস্থান নতুন কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধীনে নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার নিয়ে আন্তঃসরকারি আলোচনা বা আইজিএন দীর্ঘদিন ধরে চলমান। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সদস্যপদ বৃদ্ধি ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে এই আলোচনা ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন অধিবেশনে অব্যাহত রয়েছে।

নিউইয়র্কে জি-৪-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জি-৪-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। এতে অংশ নেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ডেভিড ওয়াডেফুল এবং জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিৎসু।

বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্র ছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার। চার দেশ পরিষদকে আরও কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বশীল করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। একই সঙ্গে বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানানো হয়।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যেও বলা হয়েছে, জি-৪ বৈঠকে স্থায়ী ও অস্থায়ী—উভয় ধরনের সদস্যপদ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। আফ্রিকান মডেল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য দেশের মতামত প্রতিফলিত করে একটি সমন্বিত সংস্কার মডেল তৈরির বিষয়েও চার দেশ কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।

কেন দ্রুত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার চায় জি-৪

জি-৪-এর যৌথ বক্তব্যে বলা হয়েছে, বিশ্বের ভূরাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই জটিল হচ্ছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা ও সংঘাত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জরুরি বলে মনে করছে ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান।

চার দেশের মতে, নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো প্রায় ৮০ বছর আগের বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর ফলে বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও শক্তির বিন্যাস পরিষদের কাঠামোয় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।

জি-৪ মনে করে, এই পুরোনো কাঠামো আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সীমাবদ্ধতা তৈরি করছে। এর প্রভাব পড়ছে পরিষদের প্রতিনিধিত্ব, বৈধতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনায়।

জাতিসংঘের নিজস্ব সংস্কার প্রক্রিয়াতেও নিরাপত্তা পরিষদকে আরও প্রতিনিধিত্বশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের আলোচনার নথিতে সদস্যপদ বৃদ্ধি এবং সংস্কার নিয়ে আন্তঃসরকারি আলোচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য—দুই ক্ষেত্রেই পরিবর্তনের দাবি

জি-৪-এর অন্যতম প্রধান দাবি হলো নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের সদস্যপদই বাড়ানো।

চার দেশ মনে করে, শুধু অস্থায়ী সদস্য বাড়ালে কাঠামোগত প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন পুরোপুরি সমাধান হবে না। একইভাবে স্থায়ী সদস্যপদের কাঠামোও বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা প্রয়োজন।

এই দাবির সঙ্গে জাতিসংঘের চলমান আইজিএন আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরাসরি যুক্ত। জাতিসংঘের সংস্কার প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ বাড়ানো এবং ন্যায্য আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়।

জি-৪ আরও বলেছে, যেসব অঞ্চল ও গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিরাপত্তা পরিষদে কম বা নেই, তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে আফ্রিকা, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলকে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দিয়েছে তারা।

আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর আহ্বান

বৈঠকে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে আইজিএন আলোচনার সময় আফ্রিকান দেশগুলোর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেটিকে স্বাগত জানিয়েছে জি-৪।

চার দেশ নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী সদস্যপদসহ আফ্রিকার অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ও রয়েছে।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ডেভিড ওয়াডেফুলও নিরাপত্তা পরিষদে বিশ্বের পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটানোর ওপর জোর দিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর বিশ্বে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে এবং সেই পরিবর্তন জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার কাঠামোতেও প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন।

তিনি ভারত, ব্রাজিল ও জাপানের সঙ্গে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপত্তা পরিষদের জন্য জার্মানির কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান। পাশাপাশি আফ্রিকার দেশগুলোর মতামত ও প্রতিনিধিত্ব আরও যথাযথভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

জাতিসংঘের ২০২৬ সালের আইজিএন প্রক্রিয়ায় আফ্রিকান মডেল উপস্থাপনের তথ্যও সরকারি জাতিসংঘ নথিতে রয়েছে।

১৮ বছরের আলোচনায় অগ্রগতি নিয়ে জি-৪-এর উদ্বেগ

নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে জি-৪।

চার দেশের বক্তব্য অনুযায়ী, আইজিএন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৮ বছর ধরে আলোচনা চললেও এখনো বাস্তব ও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। তাই লিখিত আলোচনা দ্রুত শুরু করাকে তারা অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে।

জি-৪ বিশেষভাবে একটি ‘সমঝোতামূলক প্রস্তাব’ উপস্থাপনের বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, ওই প্রস্তাবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের সদস্যপদ বাড়ানোর পক্ষে থাকা অধিকাংশ দেশের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

এখানে আলোচনার জটিলতাও স্পষ্ট। জাতিসংঘের সংস্কারসংক্রান্ত নথিতে সদস্যপদের ধরন, স্থায়ী আসন এবং অন্যান্য বিষয়ে বিভিন্ন দেশের অবস্থানের মধ্যে পার্থক্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি সমন্বিত মডেলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় এসেছে।

সব দেশের ঐকমত্য কি বাধ্যতামূলক?

জি-৪-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো, জাতিসংঘ সনদ ও আইজিএনের নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব দেশের মতৈক্য থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

এই অবস্থান থেকে জি-৪ ভবিষ্যতে সংস্কারপন্থী অন্যান্য দেশ ও জোটের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা জানিয়েছে। তাদের লক্ষ্য হলো যেসব বিষয়ে বিভিন্ন দেশের মতামতের মধ্যে মিল রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করা এবং অধিকাংশ সদস্য দেশের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি যৌথ সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করা।

জি-৪ মনে করে, লিখিত আলোচনা দ্রুত শুরু হলে বাস্তব ও কার্যকর সংস্কারের দিকে এগোনোর সুযোগ তৈরি হবে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটেও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার নিয়ে আইজিএনকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রস্তাব ও অবস্থানের ভিত্তিতে আলোচনার একটি প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

জি-৪-এর পরবর্তী পরিকল্পনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলাকালে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৪-এর চার দেশ।

বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নিজ নিজ দেশের কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে পরবর্তী মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সংস্কার উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার বিষয়েও তারা একমত হয়েছে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জি-৪ বর্তমান অধিবেশনেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে পরামর্শ চালিয়ে যেতে এবং সংস্কার আলোচনায় একটি সমন্বিত মডেল তৈরির দিকে এগোতে চায়।

জয়শঙ্করের বক্তব্যে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কার

বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জি-৪ বৈঠকের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কার এবং বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে এমন আরও প্রতিনিধিত্বশীল ও কার্যকর নিরাপত্তা পরিষদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জয়শঙ্কর বলেন, ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান এই অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াডেফুলও একই বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর বিশ্ব বদলে গেছে এবং সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কাঠামোতেও থাকা প্রয়োজন।

ভারত-জার্মানি বৈঠকে ইউক্রেন ও উপসাগরীয় সংকট

জি-৪ বৈঠকের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ও ওয়াডেফুল আলাদাভাবে বৈঠক করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, উপসাগরীয় অঞ্চলের সংকট এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

পরে এক্সে জয়শঙ্কর জানান, ইউক্রেন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান সংকট নিয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে ভারত ও জার্মানির সহযোগিতা শক্তিশালী রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই তথ্য সমসাময়িক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

জি-৪-এর বক্তব্যে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে স্পষ্ট—নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্যপদ বাড়ানো, কম প্রতিনিধিত্ব পাওয়া অঞ্চলগুলোর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লিখিত আলোচনা দ্রুত শুরু করা।

এর পাশাপাশি আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো এবং বিভিন্ন দেশ ও জোটের প্রস্তাবকে বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত সংস্কার মডেলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছে চার দেশ।

তবে নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার একটি দীর্ঘস্থায়ী আন্তঃসরকারি আলোচনার বিষয়। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের অবস্থান ও প্রস্তাবের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সমন্বিত মডেল তৈরির পথে সদস্যপদের ধরন ও স্থায়ী আসনসহ একাধিক প্রশ্ন এখনো আলোচনার অংশ।

ফলে জি-৪-এর নতুন আহ্বানের পর এখন নজর থাকবে ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে আইজিএন প্রক্রিয়ায় কী ধরনের অগ্রগতি হয় এবং বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক জোটের অবস্থানের মধ্যে কতটা সমন্বয় তৈরি করা যায় তার দিকে।

সর্বাধিক পঠিত